দুর্নীতির মামলায় খালাস জয়ললিতা
প্রকাশিত : ০৩:২৭ পিএম, ১২ মে ২০১৫ মঙ্গলবার | আপডেট: ০৩:২৭ পিএম, ১২ মে ২০১৫ মঙ্গলবার
উইমেননিউজ ডেস্ক, ঢাকা : ভারতের কর্নাটক হাইকোর্ট আয়ের সাথে সঙ্গতিবিহীন মামলায় তামিলনাড়ুর সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও এআইএডিএমকে নেত্রী জয়রাম জয়ললিতাকে বেকসুর খালাস দিয়েছে।
সোমবার সকালে আদালত এক রায়ে জয়ললিতাসহ অন্য চারজনের শাস্তি মওকুফ করে। রায় শোনার পর আদালত চত্বরেই জয়ললিতার সমর্থকদের আনন্দ উল্লাস প্রকাশ করতে দেখা যায়। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আয়ের সাথে সঙ্গতিবিহীন জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ব্যাঙ্গালুরের বিশেষ আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে এ সাজা দিয়েছিল।
রায়ের সময় সোমবার আদালতে জয়ললিতা উপস্থিত ছিলেন না। এ রায় ৬৭ বয়সের জয় ললিতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। খালাস না পেলে ৪ বছর তাকে কারাগারে কাটাতে হতো। এটি তার রাজনৈতিক জীবনে প্রভাব ফেলতো। এ রায়ের ফলে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর পদে জয়ললিতা ফিরে যেতে পারবেন। তবে ছয় মাসের মধ্যে তাকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে।
এনডি টিভি’র খবরে বলা হয়, আদালত জয়ললিতার রায় দিতে মাত্র দশ সেকেন্ড সময় নেয়। রায় ঘোষণার কয়েক মিনিটের মধ্যেই চেন্নাইতে সাবেক মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে আতসবাজি জ্বালিয়ে আনন্দ প্রকাশ করে দলের সমর্থকরা।
২০১৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ব্যাঙ্গালুরের একটি আদালতে জয়ললিতাকে দুর্নীতির দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে চার বছরের কারাদন্ড দেয়া হয়। এ ছাড়া তাকে একশ’ কোটি রুপী জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদন্ড দেয়া হয়। প্রায় ১৮ বছর আগে আয়ের সাথে সঙ্গতিবিহীন সম্পদ থাকার অভিযোগে জয়ললিতার বিরুদ্ধে ওই মামলা করা হয়। বর্তমানে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সুব্রামানিয়াম স্বামী মামলাটি করেন। সাজা ঘোষণার পর জয়ললিতা তিন সপ্তাহ কারাগারে ছিলেন। পরে সুপ্রিম কোর্টে তিনি শর্তসাপেক্ষে জামিন পান।
শর্তে বলা হয়, জয়ললিতার সমর্থকদের আইন-শৃংখলা মেনে চলতে হবে। ‘আম্মা’-এর কারাদন্ডাদেশের প্রতিবাদে সে সময়ে তামিলনাড়ুতে তার সমর্থকরা গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে ও ভাঙচুর চালায়। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল প্রথম মেয়াদে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিবিহীন সম্পদ অর্জনের জন্য জয়ললিতার বিরুদ্ধে মামলা হয়। ওই পাঁচ বছরে জয়ললিতার অর্জিত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৬৬ কোটি রুপী। এর মধ্যে রয়েছে দুই হাজার একর জমি, ৩০ কোজি সোনা ও ১২ হাজার শাড়ি।
১২.০৫.২০১৫ 