ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৩, জুলাই ২০২৬ ১১:০১:১২ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

সাহিত্যে নোবেল পেলেন কানাডার এলিস মুনরো

প্রকাশিত : ০৭:০৬ পিএম, ১০ অক্টোবর ২০১৩ বৃহস্পতিবার | আপডেট: ০৭:৩৮ এএম, ১১ অক্টোবর ২০১৩ শুক্রবার

ডেস্ক নিউজ, উইমেননিউজ২৪.কম ঢাকা : সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন কানাডিয়ান সাহিত্যিক এলিস মুনরো (৮২)। মুনরো নোবেল বিজয়ী প্রথম কানাডিয়ান নারী। মুনরোসহ এ পর্যন্ত বিশ্বের নানা দেশের মোট ১৩ জন নারী এ পুরস্কার পান। মুনরো তার সমকালে ছোটগল্পের জন্য বিশ্বব্যাপী নন্দিত। ড্যান্স অব দ্য হ্যাপি শেড, লাইভস অফ গার্লস অ্যান্ড উইমেন, দ্য মুনস অফ জুপিটার, দ্য লাভ অব আ গুড উইমেন প্রভৃতি এলিস মুনরোর বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম। ২০০৯ সালে মুনরো তার সাহিত্যকর্মের জন্য ম্যান বুকার পুরস্কার অর্জন করেন। বৃহস্পতিবার সুইডেন সময় দুপুর ১টায় (বাংলাদেশ সময়: বিকেল ৫টা) সাংবাদিকদের সামনে এ বছর সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী হিসেবে এলিস মুনরোর নাম ঘোষণা করে রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি। সাহিত্যে নোবেল পাওয়ার খবর পেয়ে সাংবাদিকদের কাছে মুনরো তার অনুভুতি ব্যক্ত করে বলেন, ‘মনের ভেতর লুকায়িত দীর্ঘদিনের স্বপ্ন অবশেষে সত্যি হলো। বিষয়টি সত্যিই স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে। আমি সত্যি খুবই আনন্দিত যে একজন কানাডিয়ান নাগরিক হিসেবে এ পুরস্কার পেয়েছি।’ এলিস মুনরো কানাডার ওন্টারিও’র উইংহামে জন্মগহণ করেন ১৯৩১ সালের ১০ জুলাই। মুনরোর পিতা রবার্ট এরিক লেইডল’ ছিলেন পোল্ট্রি ফার্মার এবং মা অ্যান ক্লার্ক লেইডল’ স্কুল শিক্ষক। ৮২ বছর বয়সী মুনরো তিন সন্তানের মা। উল্লেখ্য, জন স্টাইনবেক, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আর্নেস্ট হেমিংওয়ে, উইলিয়াম ফকনার, গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস, উইন্সটন চার্চিল, পাবলো নেরুদা ও আলব্যের কামু’র মতো সাহিত্যিকরা বিভিন্ন সময়ে বিশ্বসাহিত্যের এই সম্মানজনক পুরস্কার অর্জন করেছেন। ২০১২ সালে চীনের কথাসাহিত্যিক মো ইয়ান সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী নির্বাচিত হন। সুইডিস বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেল প্রচলন করেন এই পুরস্কার প্রথা। ১৯০১ সাল থেকে অনন্য সাধারণ গবেষণা, উদ্ভাবন ও সামাজিক-রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। মোট ছয়টি বিষয়ে পুরস্কার প্রদান করে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি। বিষয়গুলো হল : পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসাশাস্ত্র, অর্থনীতি, সাহিত্য এবং শান্তি। নোবেল পুরস্কারকে এ সকল ক্ষেত্রে বিশ্বের সবচেয়ে সম্মানজনক পদক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১০ অক্টোবর’২০১৩