খাবারে কীটনাশক মিশিয়ে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ০৮:৫০ পিএম, ৪ জানুয়ারি ২০১৯ শুক্রবার
ছবি: সংগৃহীত
খাবারের সঙ্গে কীটনাশক জাতীয় পর্দাথ মিশিয়ে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। নিহত উম্মেহানী (২৪) উপজেলার ছনপাড়া এলাকার তুহিনের স্ত্রী।
শুক্রবার সকালে উপজেলার বুরবুরিয়ারটেক এলাকায় বাবারবাড়ি থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর তুহিনকে গণপিটুনি দিয়ে এলাকাবাসী পুলিশে সোপর্দ করেন। সে বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
পরে এই ঘটনায় মেয়েকে হত্যার অভিযোগ এনে নিহতের মা খোদেজা বেগম একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, পাঁচ বছর আগে উম্মোহনীর সঙ্গে ছনপাড়া এলাকার নুর ইসলামের ছেলে তুহিনের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। এরই মধ্যে তাদের সংসারে দুই সন্তানের জম্ম হয়। কিন্তু ৯ মাস আগে তুহিন গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে করায় তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ দেখা দেয়।
মামলায় আরো উল্লেখ করা হয়, এক লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে ২৮ শে ডিসেম্বর উম্মেহানীকে তার বাবার বাড়ি স্থানীয় বুরবুরিয়ারটেকে পাঠিয়ে দেয়া হয়। দাবিকৃত টাকা না দিলে তার সঙ্গে আর সংসার হবে বলেও সাফ জানিয়ে দেয় তুহিন। বৃহস্পতিবার বিকালে সে তার ছোট মেয়ে ইকরাকে চিকিৎসা করানোর নাম করে উম্মেহানীকে সঙ্গে নিয়ে ছনপাড়ায় আসে। পরে রাতে তাকে ফুসকার সঙ্গে কীটনাশক জাতীয় পদার্থ মিশিয়ে খাইয়ে দেয়া হয়। এতে তার মৃত্যু হয়।
এজাহারের বিবরণ থেকে আরো জানা যায়, নিহত উম্মেহানীর লাশ পরে বুরবুরিয়ারটেক তার বাবার বাড়িতে উঠানে ফেলে পালানোর সময় তুহিনকে আটক করে এলাকাবাসী। এসময় এলাকাবাসী তাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
নিহতের মা বাদী হয়ে এই ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করেছেন জানিয়ে আড়াইহাজার থানার ওসি আক্তার হোসেন বলেন, নিহতের স্বামীকে পুলিশ প্রহরায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
ধারনা করা হচ্ছে খাবারের সঙ্গে তাকে বিষাক্ত কোন পর্দাথ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে জানান সুরতহাল প্রস্তুতকারী আড়াইহাজার থানার এসআই হুমায়ন।
