ধর্ষণের পর নদীতে ফেলে দিয়ে হত্যা
প্রকাশিত : ০২:৩৪ পিএম, ১৬ মে ২০১৫ শনিবার | আপডেট: ০২:৩৬ পিএম, ১৬ মে ২০১৫ শনিবার
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, জামালপুর : শনিবার বিকেলে ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে রাবিয়া খাতুন নামে (১৪) এক কিশোরীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় তার হাত-পা ওড়না দিয়ে বাঁধা ছিল।
পুলিশ জানায়, রাবিয়াকে হত্যা করার আগে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করা হয়। এরপর নদীতে ফেলে রেখে চলে যায় হত্যাকারীরা।
স্থানীয়রা জানায়, অনিকা জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার ঝালরচর গ্রামের আব্দুল লতিফের মেয়ে। দশম শ্রেণীর ছাত্রী রাবিয়া দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার মাদারচর গ্রামে নানার বাড়ি থেকে পড়াশুনা করত।
প্রতিবেশীরা জানায়, পাশের বাড়ির আহম্মদ আলীর ছেলে আব্দুল আজিজের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল অনিকার। শুক্রবার রাতে অনিকাকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ডেকে কৌশলে ব্রহ্মপুত্রের তীরে নিয়ে যায় আজিজ। এরপর তার সহযোগীকে নিয়ে হাত পা বেঁধে গণধর্ষণ করে। শেষে নদীর পানিতে ছুঁড়ে ফেলে দেয়।
অনিকার নানার বাড়ির লোকজন জানায়, রাত থেকেই অনিকাকে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। কিন্তু কোথাও পাওয়া যাচ্ছিল না। দুপুরের দিকে অনিকার লাশ ভেসে ওঠে ব্রহ্মপুত্র নদীতে। খবর পেয়ে বিকেলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। এসময় শত শত গ্রামবাসী জড়ো হয় নদীতীরে। ঘটনার পর থেকেই আজিজ ও পরিবারের লোকজন উধাও।
অনিকার নানাবাড়িতে কান্নার রোল উঠেছে। শোকের ছায়ায় ঢেকে গেছে পুরো মাদারচর গ্রাম।
দেওয়ানগঞ্জ থানার পরিদর্শক (ওসি, তদন্ত) সাদিকুর রহমান ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, ‘ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
১৬.০৫.২০১৫
