ঢাকা, সোমবার ২০, জুলাই ২০২৬ ৮:২১:৩৮ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

গারো তরুণী গণধর্ষণে উইমেন্স ফেডারেশনের প্রতিবাদী বিক্ষোভ সমাবেশ

প্রকাশিত : ০৩:০৮ পিএম, ২৪ মে ২০১৫ রবিবার | আপডেট: ০৩:০৮ পিএম, ২৪ মে ২০১৫ রবিবার

Protest_rally_in_Dhaka_770798008স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা : রাজধানীতে মাইক্রোবাসে গারো তরুণী ধর্ষণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে হিল উইমেন্স ফেডারেশন। সমাবেশে ধর্ষকদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করা হয় । রোববার (২৪ মে) বিকেল সাড়ে ৪টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি নিরূপা চাকমার সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক রিনা চাকমার সঞ্চালনায় সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) নারী সেল, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী এবং ছাত্র ইউনিয়ন যৌথভাবে এ সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশে বক্তারা বলেন, নারীরা আজ ঘরে-বাইরে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, কর্মস্থলে কোথাও নিরাপদ নয়। কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে গারো নারীকে মাইক্রোবাসে উঠিয়ে নিয়ে গণধর্ষণের ঘটনাই তা প্রমাণ করে। দিন দিন যেভাবে যৌন নির্যাতনের ঘটনা বেড়ে চলেছে তাতে নারীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। কিন্তু সরকার নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছে না, অপরাধীদেরও শাস্তি হচ্ছে না। বিচারহীনতার কারণেই এ ধরনের ঘটনা বার বার ঘটে চলেছে। বক্তারা বলেন, ক্ষমতাসীন দলের ছত্রছায়ায় গোটা দেশে এখন ধর্ষণের সংস্কৃতি চলছে। ধর্ষণ, গণধর্ষণ, অপহরণ, নগ্ন দৃশ্য মোবাইল-ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা প্রতিনিয়তই ঘটছে। সমাবেশ থেকে বক্তারা অবিলম্বে গারো নারীকে ধর্ষণের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, কর্মজীবী নারীর নিরাপদে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে আইন প্রণয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কর্মক্ষেত্র সর্বত্র নারীর মর্যাদা, অশ্লীল-বিকৃত প্রকাশনা-ভিডিও নিয়ন্ত্রণ করা, সুষ্ঠু মানবিক বোধ জাগ্রত করার নৈতিক শিক্ষা জোরদার করার দাবি জানান। বক্তারা আরও বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানিরা যেভাবে আমাদের মা-বোনদের উপর ঝাঁপিয়ে পরেছিল, আজকের ধর্ষকরাও সেই একই মানসিকতার। পুলিশসহ প্রশাসনের দায়িত্বে থাকা সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানসিকতাই ধর্ষণের জন্য দায়ী। নারী নির্যাতনের মামলার বিচারহীনতা এখন সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। রাষ্ট্র যখন পুরুষবাদী মানসিকতা লালন করে তখনই নারীর উপর হামলা হয়। কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ নারী মুক্তি কেন্দ্রের সভাপতি সীমা দত্ত, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক বিপুল চাকমা, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি এম.এম পারভেজ লেনিন, ল্যাম্পপোস্ট ও গণমুক্ত গানের দল’র নাহিদ সুলতানা লিসা প্রমুখ। সমাবেশ শেষে প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল পল্টন মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। ২৪.০৫.২০১৫