সৌদিতে নারীবন্দিদের যৌন নির্যাতন করা হয়: অ্যামনেস্টি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ০৬:২৬ পিএম, ২৭ জানুয়ারি ২০১৯ রবিবার
ছবি: ইন্টারনেট
সৌদি আরবে নারীবন্দিদেরকে এমনভাবে যৌন নির্যাতন ও মারধর করা এবং ইলেকট্রিক শক দেয়া হয় যে তারা উঠে দাঁড়াতে পারে না। এমনকি জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাদের একে-অপরকে চুমো খেতে বলা হয়।
শুক্রবার লন্ডন-ভিত্তিক বেসরকারি সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রকাশ করা একটি রিপোর্টের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট। কমপক্ষে ১০ জন নারী অধিকারকর্মীর সঙ্গে কথা বলে রিপোর্টটি প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
মানবাধিকার সংস্থাটি জানায়, এক নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় বলা হয় যে তার পরিবারের সদস্যরা মারা গেছেন। এটা ছিল মিথ্যা কথা। অথচ পুরো একটা মাস তাকে এই মিথ্যা কথা বিশ্বাস করতে হয়েছে। অন্যদেরকে গোপন কারাগারে আটকে রেখে এমনভাবে মারধর ও ইলেকট্রিক শক দেয়া হয় যে তার উঠে দাঁড়াতে পারছিলেন না।
এসব নারীবন্দির মধ্যে আছেন লৌজাইন আল-হাথলৌল এবং আজিজা আল-ইউসেফের মতো বিশিষ্ট অধিকারকর্মী। তারা সৌদি কর্তৃপক্ষের নিপীড়নমূলক পুরুষ অভিভাবকত্ব প্রথার বিরুদ্ধে কথা বলে আসছেন। তাদেরকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযুক্ত করে আটক করা হয়নি।
কয়েকজন ব্রিটিশ সংসদ সদস্য এবং আন্তর্জাতিক আইনজীবীদের সমন্বয়ে গঠিত একটি বন্দি পর্যালোচনা প্যানেল যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত প্রিন্স মোহাম্মেদ বিন নাওয়াফ বিন আব্দুল আজিজের কাছে এই ১০ নারীর সঙ্গে কথা বলার সুযোগ চেয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করে।
তারা বলেন, যদি ২৯ জানুয়ারির মধ্যে সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া না পাওয়া যায়, তবে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ বিভিন্ন সংস্থা এসব নারী অধিকারকর্মীর সঙ্গে দুর্ব্যবহারের যেসব অভিযোগ সংগ্রহ করেছে তা বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করা হবে দ্রুতই। এরপর তাদের সঙ্গে প্যানেলটির কথা বলার সুযোগ দেয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ।
-জেডসি
