ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১২, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:০৫:০২ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

আবার মিলল ‘ধর্ষণ আসামির’ চিরকুট বাঁধা লাশ, জানা গেল খুনির নাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৫:৫১ পিএম, ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ শুক্রবার

ঝালকাঠিতে ছয় দিনের মাথায় চিরকুট সম্বলিত আরও একজনের লাশ পাওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ, যার গলায় ঝোলানো চিরকুটে লেখা ছিল ‘ধরষকের পরিণতি ইহাই’।

চিরকুটে লেখা পরিচয় অনুযায়ী, নিহতের নাম রাকিব। সে দুই সপ্তাহ আগে ভাণ্ডারিয়ায় এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলার প্রধান আসামি রাকিব হাসান বলে পুলিশের ধারণা।

আজ শুক্রবার বেলা ১২টা দিকে রাজাপুর উপজেলার আঙ্গারিয়া গ্রামে একটি ইটভাটার পাশের মাঠ থেকে রাকিবের লাশটি উদ্ধার করা হয় বলে রাজাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাহিদ হোসেন জানান।

এর আগে ওই মামলার আরেক আসামি হাসান সজল জোমাদ্দারকেও হত্যা করে গলায় চিরকুট বেঁধে লাশ ফেলে রাখা হয়েছিল ধানক্ষেতে। কে বা কারা তাদের হত্যা করে লাশ ফেলে গেছে, সে বিষয়ে কিছুই বলতে পারছে না পুলিশ।

রাজাপুর থানার উপপরিদর্শক (উপপরিদর্শক) জাহিদ হাসান বলেন, ‘রাকিবের মাথায়, মুখে ও পিঠে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। আর গলায় ঝোলানো চিরকুটে লেখা ছিল- ‘আমি পিরজপুর ভানডারিয়ার… ধরষক রাকিব। ধরষকের পরিণতি ইহাই। ধরষকরা সাবধান। হারকিউলিস।’

প্রসঙ্গত, গত ১২ জানুয়ারি সকালে ভাণ্ডারিয়া উপজেলার হেতালিয়া গ্রামে এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে পানের বরজে নিয়ে দলবেঁধে ধর্ষণ করা হয়।

ওই ঘটনার পর মেয়েটির পরিবার গত ১৭ জানুয়ারি ভাণ্ডারিয়া থানায় মামলা করে। শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের ভিটাবাড়ি গ্রামের আবুল কালামের ছেলে রাকিব হাসান (২৮) এবং নদমুলা গ্রামের আলম জোমাদ্দারের ছেলে সজল জোমাদ্দারকে (২৮) সেখানে আসামি করা হয়।

গত ২৬ জানুয়ারি কাঁঠালিয়া উপজেলার একটি ধানক্ষেত থেকে সজলের লাশ উদ্ধারের কথা জানায় পুলিশ। মাথায় গুলিবিদ্ধ ওই লাশের গলায় ঝোলানো চিরকুটে লেখা ছিল- ‘আমার নাম সজল…মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ করার কারণে আমার এই পরিণতি।’

পরিদর্শক জাহিদ জানান, রাকিবের লাশের বিষয়ে তারা ভাণ্ডারিয়া থানায় যোগাযোগ করেছেন। ভাণ্ডারিয়ার পুলিশই রাকিবের পরিচয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করবে।