ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১২, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:০৮:০৩ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

রোহিঙ্গাদের সঙ্গে নিকৃষ্ট নির্মমতা করা হয়েছে: জোলি

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৭:৩৫ পিএম, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ মঙ্গলবার

সংবাদ সম্মেলনে হলিউড অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

সংবাদ সম্মেলনে হলিউড অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

কক্সবাজার সফররত হলিউড অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি বলেছেন, নির্যাতনের মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা নারী ও শিশুদের মুখে তাদের উপর চালানো নির্যাতনের বর্ণনা শুনে আমি হতবাক। আমার মন ভেঙ্গে গেছে। পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্টতম নির্মমতা করা হয়েছে রোহিঙ্গাদের সাথে। বাংলাদেশে তাদের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার পরিচয় দিয়েছে।

আজ মঙ্গলবার কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের সাথে সাক্ষাতের পর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন শরণার্থী ক্যাম্প ঘুরে দেখার দুই দিনের অভিজ্ঞতার বর্ণনা দেন। তিনি রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতিও আহ্বান জানান। 

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) বিশেষ দূত হয়ে রোহিঙ্গাদের অবস্থা দেখতে বাংলাদেশে এসেছেন হলিউডের জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী। এটা তার প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে সফর।

প্রেস বিফ্রিংয়ে অ্যাঞ্জেলিনা জোলি বলেন, সবার দায়িত্ব হলো রাখাইনে রোহিঙ্গাদের জন্য যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের যেন ফেরত না পাঠানো হয়।

তিনি বলেন, আমি গত দু'দিনে দুটো উপজেলার প্রায় সবকটি ক্যাম্প ঘুরে দেখেছি। নির্যাতনের মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা নারী ও শিশুদের মুখে তাদের উপর চালানো নির্যাতনের বর্ণনা শুনেছি। তাদের একেক জনের বর্ণনা একেক রকম।


জোলি বলেন, নির্যাতিতদের বর্ণনা শুনে আমি হতবাক হয়ে গেছি। এত লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছিল রাখাইনে তা শোনার পর আমি অন্যরকম হয়ে গেছিলাম। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের ওপর চলানে নির্যাতনের বর্ণনা শুনে আমার মন ভেঙে গেছে। 

তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা, ধর্ষণের মতো, ঘটনা ঘটেছে। রোহিঙ্গাদের অবশ্যই নাগরিকত্ব দিয়ে নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরিয়ে নিতে হবে।

অ্যাঞ্জেলিনা জোলি আরও বলেন, এসব নির্যাতিত মানুষ অসহায় অবস্থায় বাংলাদেশে যখন আসে, বাংলাদেশে তখন তাদের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার পরিচয় দিয়েছে। এসব নির্যাতিত মানুষ তাদের নিজ দেশে ফেরার অধিকার রাখে। 

তিনি বলেন, সংখ্যাটা এত বড় যে বাংলাদেশ সামলাতে পারবে না, সে কারণেই সবার সহযোগিতা দরকার।

প্রায় এগারো লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় ও অন্য সুবিধা দেয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রশংসা করে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়কে আহ্বান জানান অ্যাঞ্জেলিনা জোলি।