ঢাকা, রবিবার ১৯, জুলাই ২০২৬ ১৮:৫৫:৪৫ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

এবার নৌকায় ধর্ষণের শিকার কর্মজীবী নারী

প্রকাশিত : ০১:৪৬ পিএম, ২৯ মে ২০১৫ শুক্রবার | আপডেট: ০১:৪৭ পিএম, ২৯ মে ২০১৫ শুক্রবার

viktim_45665_59077স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা : গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলায় প্রাণ-আরএফএল কোম্পানির এক নারী শ্রমিককে দুই দফায় পালাক্রমে ধর্ষণ করেছে চারজন, রাজধানীতে মাইক্রোবাসে কর্মজীবী গারো তরুণীকে ধর্ষণের পর সারাদেশে তুমুল আলোচনার মধ্যেই সোমবার রাতে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে তারা ওই প্রতিষ্ঠানের নৌকার মাঝি। এবারও ধর্ষণের শিকার নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিয়ে অবহেলার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। ধর্ষণের পর চারদিন পেরিয়ে গেলেও হাসপাতালে না পাঠিয়ে তাকে মায়ের সঙ্গে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। গাজীপুরের ওই নারী বৃহস্পতিবার কালীগঞ্জ থানায় চারজনের বিরুদ্ধে মামালা করেন। পরে প্রাণ-আরএফএল কোম্পানির নৌকার দুই মাঝিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কালীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নিতাই চন্দ্র সরকার উইমেননিউজকে বলেন, ওই নারী নরসিংদীর পলাশে প্রাণ-আরএফএল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে কাজ করেন। পলাশ থেকে কোম্পানির নৌকায় করে কর্মীদের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে দেওয়া হয়। এজাহারে বলা হয়, গত সোমবার কাজ শেষে গাজীপুরের কালীগঞ্জের নারগানায় নিজের বাসায় ফেরার জন্য সহকর্মীদের সঙ্গে নৌকায় ওঠেন ওই নারী। মাঝপথে শাওরাইত ঘাটে নৌকা থেকে অন্য শ্রমিকরা নেমে যান। এরপর নৌকাটি কালীগঞ্জের মুক্তারপুর ইউনিয়নের ফকিরবাড়ির দিকে নিয়ে যায় দুই মাঝি মুক্তারপুর গ্রামের আল-আমিন (২৫) ও ফাহিম (২৫)। “ওই সময় আর কোনো শ্রমিক নৌকায় ছিল না। রাত ১০টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তারা দুজন নৌকায় মেয়েটিকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।” এরপর তারা মোবাইল ফোনে ওই কোম্পানির অপর দুই মাঝি ফারুক (২৪) ও শরীফকে (২৬) ডেকে আনে এবং ওই নারীকে তাদের হাতে দিয়ে চলে যায়। “পরে ফারুক ও শরীফ ভোররাত পর্যন্ত ওই নারীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে ফকিরবাড়ি ঘাটে নামিয়ে দেয়।” সেখান থেকে মেয়েটি ধনপুর গ্রামে বোনের বাড়ি গিয়ে বোন ও ভগ্নিপতিকে বিষয়টি জানালে তারা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে থানায় যান এবং চার মাঝির বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলা করার পর মুক্তারপুর থেকে ফারুক ও শরীফকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পরিদর্শক নিতাই জানান। তবে মামলা নিতে এবং ধর্ষণের শিকার মেয়েটির স্বাস্থ্য পরীক্ষায় বিষয়ে অবহেলার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কালীগঞ্জ থানার ওসি মো. মোস্তাফিজুর রহমান উইমেননিউজকে বলেন, “মামলা দায়ের ও আসামি গ্রেপ্তার নিয়ে সময় পার হয়ে যাওয়ায় বৃহস্পতিবার ভিকটিমের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা সম্ভব হয়নি।শুক্রু ও শনিবার ছুটির দিনে হাসপাতালে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক না থাকায় তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে রোববার।” ধর্ষিত নারী তার মায়ের সঙ্গে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে বলে জানান ওসি। ২৯.০৫.২০১৫