ঢাকা, রবিবার ১৯, জুলাই ২০২৬ ১৮:৫৪:৪৫ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

আইসিটি খাতে নারীদের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করা জরুরি

প্রকাশিত : ০৭:০৪ পিএম, ২৯ মে ২০১৫ শুক্রবার | আপডেট: ০৭:০৪ পিএম, ২৯ মে ২০১৫ শুক্রবার

2015-05-29_22_393933স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে গত কয়েক বছরে নারীর অংশগ্রহণ লক্ষণীয়ভাবে বাড়লেও এই খাতকে নারী-বান্ধব করতে অনুকূল পরিবেশের পাশাপাশি আইটি খাতে কর্মরত নারী পেশাজীবী ও উদ্যোক্তাদের প্রতি মনোভাবেরও পরিবর্তন জরুরি। দেশের নেতৃস্থানীয় আইটি বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী বিধায়, তাদের উন্নয়নের সকল ক্ষেত্রে প্রবেশের সমান সুযোগ দেয়া উচিত। হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম বলেন, দেশের ২৭৬টি উপজেলায় ১৪ হাজার ৪২০ জন ফ্রিল্যান্সার সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ‘বাড়ি বসে বড়লোক’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, এই প্রকল্পের আওতায় ১৩ হাজার যুবক-যুবতীকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে এবং এদের শতকরা ৯০ জনই নারী। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের দক্ষতা বৃদ্ধি কর্মসূচির আওতায় মোট তিন হাজার যুবক-যুবতীকে প্রশিক্ষন দেয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ২০১৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩৫০ নারীসহ ৮৩৫ জন ফিল্যান্সারকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।’ কর্মক্ষেত্রে ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকুরিতে নারীদের নিয়োগ আবশ্যিক করা হয়েছে। ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার (ইউডিসি)-এর কথা উল্লেখ করে হোসনে আরা বেগম বলেন, আইটি খাতে সমঅংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতিটি ইউডিসি-তে একজন নারী ও একজন পুরুষ উদ্যোক্তা কাজ করছেন। আউট সোর্সিং খাত থেকে ব্যাপক সম্ভাবনার কথা চিন্তা করে আইসিটি বিভাগ ২০ হাজার নারীসহ ৫৫ হাজার ফ্রিল্যান্সার তৈরির উদ্দেশ্যে ‘লার্নিং এ্যান্ড আর্নি’ প্রকল্প চালু করে। ব্যাপক মাত্রায় ডিজিটাইজেশনের লক্ষ্যে সরকার আইসিটি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এই খাতে নারীদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে। বেসিস সূত্র জানায়, সম্পূর্ণ আইটি খাতে মোট কর্মকর্তা-কর্মচারীর ১৩ শতাংশ এবং উদ্যোক্তাদের ৩ শতাংশ নারী। ৩০.০৫.২০১৫