ঢাকা, রবিবার ১৯, জুলাই ২০২৬ ৬:১০:১৯ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

নারীদের আইনের আশ্রয় সংক্রান্ত বিষয় সমাধানে কমিটির নামের তালিকা দাখিল

প্রকাশিত : ০২:৪৪ পিএম, ১ জুন ২০১৫ সোমবার | আপডেট: ০২:৪৪ পিএম, ১ জুন ২০১৫ সোমবার

imagesস্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা : নারীদের আইনের আশ্রয় নিতে কী কী সমস্যা আছে-তা নিরূপণ করতে ১০ সদস্যের একটি কমিটির নামের তালিকা হাইকোর্টে দাখিল করা হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আওলাদ আলীর সমন্বয়ে ১০ সদস্যের কমিটির নাম দাখিল করা হয়েছে যা হাইকোর্ট গ্রহণ করেছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- ড. আবুল হোসেন, সালমা খান, আয়েশা খানম, ড. এনামুল হক, এডভোকেট ফাওজিয়া করিম ফিরোজ, সুলতানা কামাল, শিরিন হক, ফাস্টিনা পেরেরা ও এডভোকেট জেড আই খান পান্না। বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দ সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চে গতকাল রোববার এ কমিটির তালিকা জমা দেয়া হয়। ব্যারিস্টার সারা হোসেন এ কথা জানান। তিনি বলেন, নারী নির্যাতনের ঘটনায় মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে নারীরা কী কী সমস্যার সম্মুখীন হয় এবং তারা কেমন বাধার মুখে পড়ে তা জানাবে এই কমিটি। একই সঙ্গে এ সব সমস্যা সমাধানের উপায় সম্পর্কেও জানাবে এ কমিটি। এছাড়া ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার ও ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সঙ্গে পুলিশের সমন্বয় কীভাবে করা যায়-তাও জানাবে কমিটি। যৌন হয়রানি ও যৌন সহিংসতা রোধে বিদ্যমান আইন ও প্রক্রিয়া পুনর্বিবেচনা করার জন্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, আইনজীবী ও নারী অধিকারকর্মীদের নিয়ে একটি কমিটি করতে গত ২৫ মে হাইকোর্ট আদেশ দিয়েছিল। রাজধানীতে গারো তরুণীকে মাইক্রোবাসে ধর্ষণের ঘটনায় আনা একটি রিটের শুনানি শেষে আদালত ওই আদেশ দেয়। রিট আবেদনকারী পাঁচ সংগঠনের কাছে এ নামের তালিকা চাওয়া হয়। মানবাধীকার সংগঠন নারীপক্ষ, মহিলা পরিষদ, জাতীয় আদিবাসী পরিষদ, আইন ও সালিস কেন্দ্র এবং ব্লাস্ট জনস্বার্থে এ রিট পিটিশন দায়ের করেছিল। ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা নিতে বিলম্ব করাকে কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না-তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করে হাইকোর্ট। মামলা নিতে বিলম্ব ও অবহেলার জন্য দায়ী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেয়া হবে না এবং ধর্ষিতাকে কেন ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে না-রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়। গত বৃহস্পতিবার ২১ মে রাতে রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় গারো সম্প্রদায়ের এক তরুণী কাজ শেষে উত্তরার বাসায় যাওয়ার সময় তাকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। পরে ওই তরুণীকে উত্তরার জসিম উদ্দিন রোডে ফেলে রেখে যায় ধর্ষকরা। এ ঘটনার পর ধর্ষণের শিকার মেয়েটির স্বজনেরা ভাটারা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তরুনীর স্বাস্থ্য পরীক্ষায়ও ধর্ষনের আলামত পাওয়া গেছে। তরুণী যমুনা ফিউচার পার্কের একটি পোশাকের দোকানে বিক্রয়কর্মী হিসেবে কাজ করেন। তার বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলায়। এ ঘটনায় জড়িত ধর্ষকদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় আইন শৃংখলা রক্ষা বাহিনী। গ্রেফতারকৃতরা বর্তমানে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডে রয়েছে। ৩১.০৫.২০১৫