ঢাকা, মঙ্গলবার ১৪, জুলাই ২০২৬ ৬:১৮:০২ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

শুরু হলো অদম্য সাহস আর আত্মপ্রত্যয়ের অগ্নিঝরা মার্চ

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:১০ এএম, ১ মার্চ ২০১৯ শুক্রবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

শুরু হয়েছে অদম্য সাহস আর আত্মপ্রত্যয়ের অগ্নিঝরা মার্চ। ১৯৭১ এর এই মাসকে ধরা হয় মুক্তি সংগ্রামের চূড়ান্ত ক্ষণ হিসাবে। এ মাসে দেশজুড়ে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে স্বাধীনতাকামী জনতা। নতুন পতাকা, বজ্রকন্ঠ ঘোষণা ও কালরাত- সব মিলিয়ে নানা ঘটনা প্রবাহে উত্তাল ছিল ১৯৭১ এর মার্চ।

ছিল শতবাঁধা, প্রতিবাদ কিংবা প্রতিরোধও ছিল অবিরত। শুরুটা বাহান্নতে, এরপর মুক্তি সংগ্রামের নানা ধাপ অতিক্রম করে ৭০ এর সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশভাবে জয় পায় বাঙালি। শুরু হয় পাকিস্তানী সামরিক জান্তার নীল নকশা বাস্তবায়ন। বাঙালিও সমস্ত শক্তি দিয়ে প্রতিবাদ করেছিল।

একাত্তরের ৭ মার্চে দু:খ ভারাক্রান্ত হৃদয় নিয়ে বঙ্গবন্ধু দাঁড়ালেন জনতার সামনে। বললেন, বাঙালির বঞ্চনার কথা, শোষণ আর শাসিত হবার কথা। উনিশ মিনিটের এক জাদুকরী ভাষণে জাতিকে দীপ্ত মুক্তিসেনানিতে রূপান্তরিত করতে সক্ষম হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু।

২৫ শে মার্চ ১৯৭১ এ বাঙালি জীবনে আসে নিকষ কালো রাত। পাকিস্তানি বাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়ে নির্বিচারে হত্যা করে ঘুমন্ত সাধারণ মানুষকে। এ রকম নানা ঘটনার সাক্ষী হয়ে থাকলো একাত্তরে মার্চ। উত্তাল সেই মার্চ একই সাথে অহংকার ও সাহসের।

ইতিহাসবিদ অধ্যাপক মেজবাহ কামাল বলেন, `১৯৭১ এর ১ মার্চ ইয়াহিয়া খান ৩ তারিখের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন। এই ঘোষণায় পাকিস্তানের দুরভিসন্ধি প্রকাশ পেয়ে যায়। এর পরপর মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।`

অপরিসীম ত্যাগের পর বাঙালি স্বাধীনতা অর্জন করেছে ঠিক। তবে এখনও অর্জনের আছে অনেক কিছু। তাই দীর্ঘ সময় পার করার পরও প্রতিবছরই মার্চ যেন বাঙালিকে নতুন বোধ ও চেতনায় জাগ্রত করে।

-জেডসি