দেশ রক্ষায় সেনাবাহিনীকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ০২:৩১ পিএম, ৩ মার্চ ২০১৯ রবিবার
ফাইল ছবি
দেশ মাতৃকার সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার জন্য সেনাবাহিনীকে ঐক্যবদ্ধ থেকে আভ্যন্তরিণ কিংবা বাহ্যিক যে কোন হুমকি মোবাবিলায় প্রস্তত থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিশ্ব শন্তি প্রতিষ্ঠায় এবং বিভিন্ন বৈদেশিক মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা আত্মত্যাগ কর্মনিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্য বয়ে আনছে সম্মান ও মর্যাদা। যা বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে উজ্জল করেছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, একটি আধুনিক ও চৌকস স্বশস্ত্রবাহিনী গড়ে তুলতে আমরা বদ্ধপরিকর। এজন্য ‘ফোর্সেস গোল-২০৩০’ প্রনয়ন করে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর আওতায় সেনাবাহিনীতে নতুন নতুন পদাতিক ডিভিশন, ব্রিগেড, ইউনিট ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে আমরা সেনাবাহিনীতে তিনটি নতুন ডিভিশন প্রতিষ্ঠা করেছি।
আজ রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজশাহী সেনানিবাসে ৭, ৮, ৯ ও ১০ বীর এর ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড (জাতীয় পতাকা) প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হেলিকপ্টারে করে রাজশাহী পৌঁছান। বেলা পৌনে ১২টায় তিনি রাজশাহী সেনানিবাসের শহীদ কর্নেল আনিস প্যারেড গ্রাউন্ডে আসেন। পরে প্যারেড পরিদর্শন করেন। এরপর সেনা প্রধানকে সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক এক করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৭, ৮, ৯ এবং ১০ বীর এর ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড (জাতীয় পতাকা) প্রদান করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরো বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইতিহাসে প্রথমবারের মত মহিলা পাইলট সংযোজন একটি নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘ শন্তিরক্ষা মিশনেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নারী অফিসার, প্রথম নারী কন্টিনজেন্ট কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে দেশের জন্য সুনাম বয়ে নিয়ে এসেছে। তিনি বলেন, আমরা নারীর ক্ষমতায়নে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। সেনাবাহিনীতে ২০১০ সালে প্রথম দীর্ঘ মেয়াদী কোর্সে নারী ডাক্তাররে মেজন জেনারেল পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদী কোর্সের নারী কর্মকর্তাকে লে. কর্ণেল পদে পদোন্নতি প্রদান ও ইউনিট কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বীর রেজিমেন্টের চারটি ব্যাটালিয়নকে জাতীয় পতাকা (ন্যাশনাল স্টান্ডার্ড) প্রদান ও প্যারেড পরিদর্শন করেছেন।
বিকেলে তিনি রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনসহ রাজশাহীর এমপিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে রাজশাহী শহরজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়েছে পুলিশ। টহল দিচ্ছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
