ঢাকা, মঙ্গলবার ১৪, জুলাই ২০২৬ ০:৪৪:৫৬ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

জাতীয় পাট দিবস আজ ৬ মার্চ বুধবার

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:২১ এএম, ৬ মার্চ ২০১৯ বুধবার

জাতীয় পাট দিবস আজ ৬ মার্চ বুধবার। আজ  দেশে তৃতীয়বারের মতো পালিত হচ্ছে দিবসটি। ‘সোনালী আঁশের সোনার দেশ, পাট পণ্যের বাংলাদেশ’- এই প্রতিপাদ্য নিয়ে ২০১৭ সালের ৬ মার্চ সারা দেশে প্রথমবারের মতো পালিত হয় দিবসটি। 

২০১৭ সালের ৩০ জানুয়ারি প্রতিবছর ৬ মার্চ জাতীয় পাট দিবস পালনের নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। আজ সারা দেশে নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে দিবসটি। 

দিবসটি উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এক সময় বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকা শক্তি ছিল পাট। দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রায় ৯০ ভাগই আসতো পাট ও পাটজাত দ্রব্য থেকে। ধীরে ধীরে পড়ে যেতে থাকে পাটের অবস্থান। একের পর এক বন্ধ হতে থাকে দেশের পাটকলগুলো। বেকার হয়ে যায় হাজার হাজার শ্রমিক। 

তবে আশার কথা হচ্ছে বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে পাট শিল্প তার আগের অবস্থানে ফিরে আসতে নানারকম প্রয়াস চালাচ্ছে বর্তমান সরকার। সফলতার মুখও দেখছে এই শিল্প। বিশেষ করে বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম  দ্বারা পাটের জন্ম রহস্য উন্মোচিত হওয়ার পর এই শিল্প আবার তার আগের অবস্থানে ফিরে আসতে শুরু করেছে।

পাট থেকে সাধারণত তৈরি হয় বিভিন্ন পাটজাত দ্রব্য যেমন, দড়ি, কার্পেট, বস্তা, ব্যাগ, শোপিস, স্যান্ডেল প্রভৃতি। তবে বর্তমানে এগুলো ছাড়াও পাটের পাতা থেকে উন্নতমানের চা তৈরি হচ্ছে। পাটের আঁশ থেকে তৈরি হচ্ছে উন্নতমানের তন্তু যা পোশাক শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে।

উপমহাদেশে প্রথম পাটকল স্থাপিত হয় ১৮৮৫ সালে কলকাতার হুগলি নদীর তীরে রিশড়া নামক স্থানে। ১৯৫১ সালে বাংলাদেশে পৃথিবীর বৃহত্তম পাটকল আদমজী জুট মিল স্থাপিত হয়। পরে লোকসানের কারণে ২০০২ সালে বন্ধ করে দেওয়া হয় বিশ্বের সর্ববৃহৎ পাটকল আদমজী। 

পাট চাষের জন্য অনুকূল এই দেশে বর্তমানে মোট পাটকলের সংখ্যা ১৫৪টি। এর মধ্যে সরকারি পাটকল আছে ২৭টি এবং বেসরকারী মালিকানাধীন পাটকলের সংখ্যা ১২৭টি।

বর্তমানে দেশের পাট শিল্প বিশ্ব বাজারে আবার মাথা তুলে দাঁড়াতে শুরু করেছে। যা খুবই আশাব্যঞ্জক। বিশ্ব বাজারের সাথে তাল মিলিয়ে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পাট শিল্পকে কাজে লাগানো গেলে দেশের জন্য তা কল্যাণ বয়ে আনবে। পাশাপাশি এ শিল্প ফিরে পাবে তার হারানো ঐতিহ্য।