কন্যাশিশুরা যেন বৈষম্যের শিকার না হয়: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ০৪:০৩ পিএম, ৯ মার্চ ২০১৯ শনিবার
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ভীতু না হয়ে অধিকার আদায় এবং ক্ষমতা প্রয়োগে নারীদের সচেতন হতে হবে।কন্যাশিশুরা যেন কখনো বৈষম্যের শিকার না হয়।
আজ শনিবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০১৯ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এই আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতিত্বপূর্ণ অবদান রেখে ‘জয়িতা’ পদকপ্রাপ্তদের হাতে সনদ ও পুরস্কার তুলে দেন।
কন্যা শিশুরা যেন কখনো বৈষম্যের শিকার না হয় এ বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের কন্যা শিশুরা যেন কখনো বৈষম্যের শিকার না হয়। সেই সচেতনতা ইতোমধ্যে আমাদের সমাজে এসে গেছে। এটা আরো ভালোভাবে প্রচার দরকার।
ইসলাম ধর্মই নারীদের সবচেয়ে বেশি সম্মানিত করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ইসলাম ধর্মই নারীদের সবচেয়ে বেশি সম্মানিত করেছে। অথচ ধর্মের নামে কেউ কেউ নারীদের ঘরে আটকে রাখার চেষ্টা করেন।’
তবে যে বা যারা নারী-শিশুর ওপর নির্যাতন চালায়, তাদের বিচার নিশ্চিতের পাশাপাশি পরিচয় প্রকাশের মাধ্যমে সামাজিকভাবে হেয় করারও আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যদিও ক্ষমতা দিয়েছি তবে সব জায়গায় ক্ষমতাটা তারা (নারী) অনেকে প্রয়োগ করতে পারেন না। সেটা আমি বলব যারা দায়িত্বে আছেন, তাদের নিজেদের ক্ষমতাটা নিজেদের অর্জন করে নিতে হবে। কেউ হাতে তুলে কখনো দেয় না, এটা হলো বাস্তবতা।’
ধর্ষকদের বিরুদ্ধে আরো বেশি সচেতনতা ও জনমত সৃষ্টির তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি বলবো যারা এ ধরনের কাজ করে তাদের নাম-দাম, চেহারা ভালোভাবে প্রচার করা। নির্যাতিত নারীদের নয়, যে ধর্ষক তার পরিচয়, চেহারা এমনভাবে প্রচার করা যাতে সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষ যেন তাকে ঘৃণার চোখে দেখে এবং এই ভাবে তাকে সমাজের বাইরে করে দেওয়া প্রয়োজন।
তিনি বলেন, আইনগত ব্যবস্থা তো তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া হবেই। আপনারা জানেন ইতোমধ্যে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আমরা তাদের বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা নিচ্ছি। তারপরও এর বিরুদ্ধে আরো বেশি সচেতনতা ও জনমত সৃষ্টি করা দরকার।
শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে আমাদের নারী সমাজও পিছিয়ে ছিল না। সেটা আমরা সব সময় স্মরণ করি। কাজেই আমরা নারীদের উন্নয়নে বিভিন্ন কাজ করেছি।’
