সমঝোতার মানসিকতা থাকলেই সংঘাত এড়ানো সম্ভব : মতিয়া চৌধুরী
প্রকাশিত : ০৫:৪৯ পিএম, ২৬ অক্টোবর ২০১৩ শনিবার | আপডেট: ০৫:৪৯ পিএম, ২৬ অক্টোবর ২০১৩ শনিবার
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম
ঢাকা : কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, সমঝোতার মানসিকতা থাকলেই সংঘাত এড়ানো সম্ভব৷ সংঘাত হলে অনেকে লাভবানও হয়, সেই সংঘাত করতে না দিলে সংঘাত অনিবার্য হয়ে পড়ে৷ প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেতা আলোচনা করে ঠিক করবেন রাজনৈতিক সংঘাত এড়াতে ছাড়ের বিষয়টি কি হতে পারে৷
শনিবার বিকাল বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপের এক অনুষ্ঠানে প্রশ্নত্তর পর্বে তিনি একথা বলেন৷ রাজধানীর বিয়াম অডিটোরিয়ামে নারীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্যানেল সদস্য হিসেবে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী ছাড়াও বিএনপি'র ভাইসচেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী ফাতেমা আনোয়ার এবং সংস্কৃতিকর্মী ও অ্যাকটিভিস্ট রোকেয়া প্রাচী উপস্থিত ছিলেন৷
শিক্ষাঙ্গণ থেকে শুরু করে প্রতিটি ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশাই কি নারীর নিরাপত্তাহীনতার প্রধান কারণ?
এমন প্রশ্নের উত্তরে মতিয়া চৌধুরী বলেন, নারী তার জায়গা নিজেই অর্জন করেছে৷ আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ অনেক উদার৷ ইসলাম বা আমাদের সমাজ কখনোই বৈষম্যের কথা বলেনা৷
সেলিমা রহমান বলেন, আসলে শিক্ষাটা পরিবার থেকেই আসতে হবে৷ শিশু সে ছেলে হোক বা মেয়ে, তাদের সামনে বৈষম্য তুলে ধরা যাবেনা৷ নারীকে মানুষ হিসেবে বোঝাতে হবে৷ এর ফলে নির্যাতিত, নিপীড়িত হওয়ার ঘটনাও কমে যায়৷
দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের নেত্রী সংকট নিরসনে একে অপরের প্রস্তাব মেনে না নেয়ার ফলে দেশে কি সংঘাত অনিবার্য হয়ে উঠছে?
এ প্রশ্নের উত্তরে সেলিমা রহমান বলেন, রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই৷ সমঝোতা হবে না বলে কোন কথা নেই৷ তবে জনগণের দুর্ভোগ তৈরি করে কোন আন্দোলন আমরা করবো না৷ তবে এখন সব দায়-দায়িত্ব সরকারের৷ সরকারকে ছাড় দিতে হবে৷ সমঝোতা কিন্তু আমরাও চাচ্ছি৷
এক প্রশ্নের উত্তরে অ্যাডভোকেট ফাতেমা আনোয়ার বলেন, কর্মজীবী পুরুষ সংসার রক্ষার্থেই ক্যারিয়ারে মনোযোগী হয়৷ নারীও হবে৷ উচিত-অনুচিতটা এখনো মুখ্য নয়৷
রোকেয়া প্রাচী বলেন, একজন কর্মজীবীর তার কাজের প্রতি একটি দায়বদ্ধতা রয়েছে৷ চাকরি করার সময় সে নারী নয়, মানুষ৷
পুরো অক্টোবর মাস জুড়ে বিবিসি 'একশো নারী' শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠান করছে৷ তারই অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সংলাপে নারীদের নিয়ে এই বিশেষ পর্ব অনুষ্ঠিত হয়৷ বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপের চুয়ালি্লশতম এই পর্বে দর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একশো জন নারী৷ তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন চারজন নারী প্যানেল সদস্য৷
অনুষ্ঠানটির প্রযোজনা করেন ওয়ালিউর রহমান মিরাজ এবং উপস্থাপনা করেন আফরোজা নীলা৷ 