চীন-বাংলা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বারোপ : স্পিকার
প্রকাশিত : ১১:৪৭ এএম, ১৩ জুন ২০১৫ শনিবার | আপডেট: ০৩:২৮ পিএম, ১৩ জুন ২০১৫ শনিবার
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা : চীন সফররত বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ও সিপিএ নির্বাহী কমিটির চেয়ারপার্সন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী গতকাল শুক্রবার চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট লি ইয়ানচাওয়ের সাথে সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাতকালে তারা দ্বি-পাক্ষিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন। এ সময় তারা দু’দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা করেন। এছাড়া তারা দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক আরো জোরদার করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
স্পিকার বলেন, চীন বাংলাদেশের কৃষি, শিল্প, অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নে সবসময় সহায়তা করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নে সহায়তার মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।
এছাড়াও বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে সহযোগিতার মাধ্যমে দেশের শিল্পায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট লি ইয়ানচাও বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। ভবিষ্যতে এ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। তিনি সকল প্রকার বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি সহযোগিতা ও বন্ধুত্বের সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধির আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে চীনের অব্যাহত সহযোগিতারও আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি বলেন, চীন শিক্ষা, কৃষি, চিকিৎসা ও বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন সেক্টরে সহায়তা প্রদান করে চলেছে। ভবিষ্যতে এ সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে।
এর আগে তিনি চীনের ইউনান প্রভিনশিয়াল কমিটির পার্টি সেক্রেটারি লি জিহেংয়ের সাথে তার কার্যালয়ে এক বৈঠক করেন। সাক্ষাতকালে তারা দ্বি-পাক্ষিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন।
স্পিকার বলেন, দারিদ্র্য বিমোচন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুপ প্রভাব মোকাবিলা ও আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও চীনের একসাথে কাজ করার সুযোগ রয়েছে ।
চীনের ইউনান প্রভিনশিয়াল কমিটির পার্টি সেক্রেটারি লি জিহেং বলেন, বিভিন্ন ধরনের অর্থনৈতিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ অনেক ধরনের সফল নীতিমালা গ্রহণ করেছে। চীনও বাংলাদেশের এ সকল নীতিমালার ভূয়সী প্রশংসা করেন।
জাতীয় সংসদের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ একথা বলা হয়।
১৩.০৬.২০১৫ 