ঢাকা, শনিবার ১৮, জুলাই ২০২৬ ২০:০১:৩৫ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে ববিতা

প্রকাশিত : ০৬:২৫ এএম, ১৫ জুন ২০১৫ সোমবার | আপডেট: ০৬:২৫ এএম, ১৫ জুন ২০১৫ সোমবার

1434314760স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা : অভিনেত্রী ববিতা সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সংগঠন ডিসট্রেসড চিলড্রেন অ্যান্ড ইনফ্যান্টস ইন্টারন্যাশনালের (ডিসিআই) শুভেচ্ছাদূত হয়েছেন। ডিসিআই আয়োজিত একটি কনফারেন্সে অংশগ্রহণের জন্য ববিতা নিউইয়র্ক যান। সম্মেলনে বাংলাদেশ ও ববিতা সংশ্লিষ্ট মাহফুজুর রহমান খান নির্মিত পাঁচ মিনিট ব্যাপ্তির ‘জেনেসিস অব ববিতা’ প্রদর্শিত হয়। যেখানে বাংলাদেশের অবস্থান, এ দেশের বিভিন্ন তথ্য এবং ববিতা সম্পর্কে খুব সংক্ষেপে কিছু তথ্য তুলে ধরা হয়। ‘জেনেসিস অব ববিতা’ প্রদর্শনের পরপরই ববিতা তার বক্তব্য তুলে ধরেন। সেখানে তিনি বাংলাদেশের অধিকারবঞ্চিত অসহায় শিশুদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোর প্রতি আহ্বান জানান। ববিতা বলেন, ‘বাংলাদেশে বহু শিশু আছে যারা তিন বেলা খেতে পায় না, স্কুলে যেতে পারে না। আমি তাদের জন্যই কাজ করতে এসেছি।’ ববিতা তার বাকি জীবন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য উত্সর্গ করারও ঘোষণা দেন।
শুভেচ্ছাদূত হিসেবে তার কাজ কী হবে? ববিতা বললেন, ‘আমাকে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বাচ্চাদের সাথে কাজ করতে হবে। তাদের বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কথা জানাব। তাদের জীবনযাত্রার সঙ্গে বাংলাদেশের শিশুদের জীবনযাত্রার পার্থক্য তুলে ধরব। তৃতীয় বিশ্বের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সাহায্যার্থে উন্নত দেশের স্কুলের বাচ্চারা তাদের টিফিনের পয়সা পর্যন্ত দান করে। তার পরিমাণও হয় অনেক। সেই তহবিল নিয়ে বাংলাদেশের শিশুদের উন্নয়নের জন্য কাজ করা হবে।’
ববিতা আরও বলেন, ‘১৯৮৯ সালে রোমান হলিডের নায়িকা অড্রে হেপবার্ন ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত হয়ে বাংলাদেশে এসেছিলেন। ওই সময় তার সঙ্গে আমার কথা বলার সুযোগ হয়েছিল। আমি তার কাছ থেকে জানতে পেরেছিলাম, তিনি অভিনয় করে যত আনন্দ পান, তার চেয়ে অনেক বেশি আনন্দিত হন মানব সেবা করে। আমার মনেও এ ধরনের ইচ্ছা ছিল। এবার সেই সুযোগ এসেছে।
শিশু অধিকার নিশ্চিত করার জন্য ডিসিআই ‘হলিস্টিক কনসেপ্ট’ অনুসারে কাজ করে, যা ভবিষ্যত্ প্রজন্মের জন্য দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তন নিশ্চিত করে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও অন্যান্য বিষয় হচ্ছে অন্যান্য দেশের শিশুদের সহায়তা করার জন্য ডিসিআই উত্তর আমেরিকার যুব সমাজকে সংযুক্ত করেছে যা তাদেরকে বিশ্ব মনস্ক ও ভবিষ্যতের নেতা হওয়ার প্রেরণা জোগায়। এই কারণে আমি ডিসিআইকে বিশ্বাস এবং সহায়তা করি।’
চিলড্রেন অ্যান্ড ইনফ্যান্টস ইন্টারন্যাশনালের (ডিসিআই) একটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অলাভজনক আন্তর্জাতিক শিশু অধিকার বিষয়ক সংস্থা, যা প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৩ সালে। ডিসিআইয়ের লক্ষ্য শিশু অধিকার রক্ষা, শিশু শ্রম বন্ধ এবং পরিবারকে সাহায্য করা; যাতে তারা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পারিবারিক সহায়তা এবং আয়বৃদ্ধির সুযোগ দ্বারা দারিদ্র্যের চক্র থেকে বের হয়ে আসতে পারে। এ ছাড়া ডিসিআই চেষ্টা করে অন্যান্য দেশের কম সুবিধাপ্রাপ্ত শিশুদের সাথে আমেরিকান যুব সমাজের সংযোগ স্থাপন করা, এই চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে তাদের শিক্ষা দেওয়া, তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতার উন্নয়ন এবং মানবিক বিষয়ক কর্মকাণ্ডের জন্য নেতৃত্ব হাতে নেওয়ার জন্য তাদের উত্সাহ দেওয়া।
১৫.০৬.২০১৫