বিজেপি’র ওপর ১৪৪ ধারা প্রয়োগ করবে জনতা: মমতা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ০২:১২ পিএম, ১৬ মে ২০১৯ বৃহস্পতিবার
ছবি: ইন্টারনেট
ভারতের জাতীয় নির্বাচন কমিশন নজিরবিহীনভাবে পশ্চিমবঙ্গে ৩২৪ ধারা জারির ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী ও রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বুধবার রাতে সংবাদ সম্মেলনে মমতা বলেন, মিস্টার ইলেকশন কমিশন, তোমার কাছে ক্ষমতা রয়েছে তুমি ৩২৪ ধারা জারি করেছো। মানুষ তোমাকে জবাব দেবে। ১৯ তারিখ ভোটের দিন বাংলার মানুষ রায় দিয়ে ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ করবে তোমার বিরুদ্ধে। আর বিজেপি’র জন্য ১৪৪ ধারা প্রয়োগ করবে মানুষ।
বুধবার সন্ধ্যায় দিল্লি থেকে উপ-নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন সাংবাদিক সম্মেলন করে পশ্চিমবঙ্গে ৩২৪ ধারা জারির ঘোষণা দেন। এর মধ্য দিয়ে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব অত্রি ভট্টাচার্যকে ভোটের কাজে হস্তক্ষেপের জন্য রাতারাতি তাৎক্ষণিকভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে এডিজি সিআইডি রাজীব কুমারকে নয়া দিল্লিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে রিপোর্ট করার নির্দেশ দেয় কমিশন।
সুদীপ জৈন বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে দিল্লির নির্বাচন সদনে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গে শেষ দফার নির্বাচন নিয়ে অভিযোগ জানানো হয়। কমিশনও এ রাজ্যে কী ঘটছে, সে বিষয়ে নজর রেখেছিল। এই দু’টি বিষয় পর্যালোচনা করার পর কমিশনের তরফে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।
কমিশনের এমন পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আমি ছেড়ে দেবো না। সাহসের সঙ্গে লড়াই করব। মিস্টার ইলেকশন কমিশন, দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি তুমি পক্ষপাত দুষ্ট।
মমতার কথায়, ‘আমি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কথা বলছি না। উনি গুডি গুডি ম্যান। কিন্তু ওনার সঙ্গে যে দু’জন রয়েছেন, তারা গুডি গুডি নন, ব্যাড। আমি চাইলে সবার পর্দা ফাঁস করে দিতে পারি।’
মমতা বলেন, ‘এই সিদ্ধান্ত নজিরবিহীন। মোদি কেন এত ভয় পাচ্ছেন? কারণ মোদি জানেন আমি তাকে চ্যালেঞ্জ করছি, তিনি আমাকে ও বাংলার মানুষকে ভয় পাচ্ছেন।’
মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার কলকাতায় বৈঠকের জন্য এসেছিলেন নির্বাচন কমিশনের ডেপুটি কমিশনার সুদীপ জৈন। তিনি জেলা শাসক এবং জেলার পুলিশ সুপারদের ফোন করে হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন মমতা।
এর আগেও কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ করেছিলেন মমতা। তিনি বলেছিলেন, রাজনৈতিক প্রভুর নির্দেশে কাজ করছে তারা। বুধবারও তিনি বলেছেন, মুকুল রায়-অমিত শাহদের কথায় চলছে কমিশন। তারা যেমন যেমন বলছেন, তেমন তেমন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
-জেডসি
