মিসরে নারী অধিকার সবচেয়ে বেশি লঙ্ঘিত
প্রকাশিত : ০৭:০১ এএম, ১৪ নভেম্বর ২০১৩ বৃহস্পতিবার | আপডেট: ১১:৫৭ এএম, ১৪ নভেম্বর ২০১৩ বৃহস্পতিবার
ডেস্ক নিউজ, উইমেননিউজ২৪.কম
ঢাকাঃ আরব বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে নারী অধিকার সবচেয়ে বেশি লঙ্ঘিত হয় মিসরে৷ টমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশনের করা এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে৷
গবেষণায় বলা হয়, মিসরে নারীরা যৌন হয়রানি, খতনার নামে জননাঙ্গ ছেদন ইত্যাদি নিগ্রহের শিকার হচ্ছেন৷ রক্ষণশীল ইসলামি গোষ্ঠীগুলোর উত্থানের কারণে নারীর অধিকার লঙ্ঘন বেড়েছে৷ গবেষণায় বলা হয়, ইরাকে সাদ্দাম হোসেনের শাসনামলের তুলনায় বর্তমানে নারীরা বেশি ঝুঁকির মুখে রয়েছেন৷ গত দশকে দেশটিতে নারীরা সহিংসতার শিকার হয়েছেন তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি৷
৩৩০ জন বিশেষজ্ঞ আরব লিগের ২১ সদস্য দেশ এবং সিরিয়ার ওপর এই গবেষণা করেন৷ গবেষণার ফল অনুযায়ী আরব বিশ্বে দ্বিতীয় বাজে স্থানে রয়েছে ইরাক৷ এরপর রয়েছে যথাক্রমে সৌদি আরব, সিরিয়া এবং ইয়েমেন৷
নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা, পরিবারে নারীদের প্রতি আচরণ, রাজনীতি ও অর্থনীতিতে নারীদের ভূমিকাসহ নানা বিষয়ে মূল্যায়ন করেন বিশেষজ্ঞরা৷ এতে বেরিয়ে আসে বৈষম্যমূলক আইন, পাচারের ঘটনাসহ নানা কারণে আরব বিশ্বের ২২টি দেশের মধ্যে সবচেয়ে নিচে রয়েছে মিসর৷
নারী অধিকার রক্ষার দিক থেকে শীর্ষস্থানে আছে দক্ষিণ-পূর্ব আফ্রিকার কমোরোস দ্বীপপুঞ্জ৷ সেখানে মন্ত্রীদের শতকরা ২০ ভাগই নারী৷ এর পরের স্থানে আছে ওমান, কুয়েত, জর্ডান ও কাতার৷
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন গ্লোবাল ফান্ড ফর উইমেন'এর মুখপাত্র জাহরা রাদওয়ান বলেছেন, কায়রোর উপকন্ঠ ও অন্যান্য এলাকার অনেক গ্রামে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটা বড় অংশ চলে নারী পাচার ও জোরপূর্বক বিয়ের ওপর ভিত্তি করে৷
রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ, কর্মস্থলে বৈষম্য, স্বাধীনভাবে চলাফেরা করা ও সম্পত্তির অধিকার ভোগের দিক থেকে সৌদি আরবের অবস্থা খারাপ৷ তবে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, প্রজননবিষয়ক অধিকার এবং লৈঙ্গিক সহিংসতার বিচারে দেশটি অন্য অনেক আরব দেশের চেয়ে এগিয়ে৷
গত এপ্রিলে জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, মিসরে ৯৯ শতাংশ নারী ও মেয়ে শিশু যৌন হয়রানির শিকার হয়৷
১৪ নভেম্বর'২০১৩ 