শেষ হলো ২৩তম জাতীয় খ্রিস্টান লেখক কর্মশালা
প্রকাশিত : ০৭:৪৭ এএম, ২৬ জুলাই ২০১৫ রবিবার | আপডেট: ০৭:৫৪ এএম, ২৬ জুলাই ২০১৫ রবিবার
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা : এপিসকপাল জাতীয় যুব কমিশন ও খ্রীষ্টীয় যোগাযোগ কেন্দ্র আয়োজিত তিনদিনব্যাপী জাতীয় খ্রিস্টান লেখক কর্মশালা সনদ বিতরণের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে।
মোহাম্মদপুরের সিবিসিবি সেন্টারে ২৫ জুলাই (শনিবার) সনদ বিতরণী অনুষ্ঠানটি হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফা: প্যাট্রিক শিমন গমেজ বলেন, ‘একজন খ্রিস্টান লেখক হিসেবে সমাজ এবং মন্ডলীর কাছে আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। একজন শক্তিশালী লেখক সমাজ পরিবর্তনে অনেক বড় ভূমিকা রাখতে পারেন। তোমরা তোমাদের সাহিত্য রচনায় বাইবেলের সহযোগিতা নিতে পারো’।
লেখক কর্মশালার প্রতিযোগী শিমন হাঁসদা তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, ‘কর্মশালায় প্রত্যেকটি বিষয় ছিল চমৎকার। আমি এ কর্মশালায় অনেক কিছু শিখতে পেরেছি যা আমার লেখনীর মাধ্যমে সমাজ ও মন্ডলীর কথা ফুটিয়ে তুলতে পারবো’।
আরেক প্রতিযোগী শাখী চিরান বলেন, ‘কর্মশালায় অংশগ্রহণ করে কিভাবে বিভিন্ন বিষয়ে লিখতে হয় সে সম্পর্কে জানতে ও বুঝতে পেরেছি’।
সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় যুব সমন্বয়কারী ব্রা: জেমস রিপন গমেজ, সিএসসি স্বামী বিবেকানন্দের উক্তি দিয়ে বলেন, “মরে তো যাবি, একটা দাগ রেখে যা”।
তিনি বলেন, ‘একজন খ্রিস্টান লেখক হিসেবে আমরা যা লিখতে ও করতে চাই সেটা আমরা কেন লিখবো বা করবো এ সম্পর্কে যেন স্পষ্ট ধারণা থাকে’।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কাথলিক স্টুডেন্টস মুভমেন্ট (বিসিএসএম) এর সভাপতি উইলিয়াম নকরেক, সাধারণ সম্পাদক শাওন আলফ্রেড ক্রুশ, সাংগঠনিক সম্পাদক জেনেভী ষ্টেলা রোজারিও, সদস্য জর্জ লিংকন রায় এবং যুব কমিশনের স্টাফবৃন্দ ও সেচ্ছাসেবকগণ উপস্থিত ছিল।
তিনদিনব্যাপী কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের খ্রীষ্টীয় যোগাযোগ কেন্দ্র পরিদশর্নে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রিন্ট ও রেডিওর সম্প্রচার কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা দেয়া হয়। অংশগ্রহণকারীদের হাতে কলমে রিপোর্ট, ফিচার লেখার নিয়মাবলি, বাংলা সাহিত্যের ক্রমবিকাশ, ধারণা ও দায়বদ্ধতা, খ্রিস্টীয় সাহিত্য ও খ্রিস্টীয় অনুবাদ সাহিত্য সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। সারা বাংলাদেশ থেকে মোট ৩৫জন অংশগ্রহণকারী অংশগ্রহণ করে। পরিশেষে ব্রা: রিপন সকলকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ দিয়ে কর্মশালার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
২৬.০৭.২০১৫ 