ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৩, জুলাই ২০২৬ ১০:০৬:৪৭ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

আলোচনা সভায় বক্তারা: রাজনৈতিক অস্থিতিশীল অবস্থার শিকার নারী-শিশু

প্রকাশিত : ১১:৪৬ এএম, ১৪ নভেম্বর ২০১৩ বৃহস্পতিবার | আপডেট: ১১:৪৬ এএম, ১৪ নভেম্বর ২০১৩ বৃহস্পতিবার

ngo_Picস্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম ঢাকা : উন্নয়ন সংস্থা বিকোশিত বাংলাদেশ আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, দেশের অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতি দূর করতে দুই নেত্রীর আলোচনায় বসা জরুরী৷ হরতাল ও অস্থিতিশীল অবস্থার মাধ্যমে গণতন্ত্র চর্চা করা যায় না৷ দেশের এমন পরিস্থিতে নারী ও শিশুদের চরম বিপাকে পড়তে হচ্ছে৷ জ্বালাও পোড়াও ও মানুষ হত্যা কোনো সমাধান নয়৷ বৃহস্পতিবার সংস্থার মালিবাগ কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় সংস্থার সভাপতি রিজিয়া মান্নানের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন নারীনেত্রী শিরীন আক্তার, নূরারন্নাহার বিশ্বাস, আসমা আখতার, শিরীন সোবাহান প্রমূখ৷ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বানী সরকার৷ আলোচনায় নারীনেত্রী শিরীন আক্তার বলেন, দেশ যখন উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তখন এই অনাকাংখিত অবস্থা দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে৷ হরতাল আর নৈরাজ্য সৃষ্টির মাধ্যমে সাধারণ জনজীবনে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে৷ রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান রাজনীতির টেবিলে বসেই করা উচিত, জনজীবনকে বাধা দিয়ে নয়৷ নূরারন্নাহার বিশ্বাস বলেন, হরতাল মানুষের জীবন কড়ে নিচ্ছে৷ নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ রাজনীতির বলি হচ্ছে৷ পোশাকশ্রমিক নাসিমাকে জীবন দিতে হলো দুই দলের নৈরাজ্যের কারণে৷ আরও কত প্রাণ দিলে দেশ স্থিতিশীল হবে তা আজ বড় প্রশ্ন৷ আসমা আখতার বলেন, দেশের দুই বড় দলের রাজনীতির খেলায় বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বড় শিকার দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী এবং কোমলমতি শিশুরা৷ হরতালের কারণে শিশুরা স্কুলে যেতে পারে না৷ পরীক্ষা বন্ধ করে দিয়ে তাদের সুন্দর জীবনকে অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে৷ এটি কোনো গণতান্ত্রিক পদ্ধতি হতে পারে না৷ শিরীন সোবাহান বলেন, আপনারা আলোচনায় বসুন৷ সমাধান আপনাদেরই হাতে৷ রাজনীতিকে ব্যক্তিগত বিষয় বিবেচনায় দেশকে অচল করা সাধারণ মানুষ মেনে নেবে না৷ রিজিয়া মান্নান বলেন, নাসিমা হত্যার দায় কে নেবে৷ আজ দেশের চরম অস্থিতিশীল অবস্থার সবচেয়ে বড় শিকার নারী ও শিশু৷ সরকার ও বিরোধীদলের রাজনৈতিক স্বার্থের শিকার হচ্ছে তারা৷ এ অবস্থার অবসান হয়ে দেশে শান্তি ফিরে আসা জরুরী৷ আমরা আশা করছি একটি অবাদ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে দ্রুত শান্তি ফিরে আসবে৷ ১৪ নভেম্বর'২০১৩