ঢাকা, শনিবার ১৮, জুলাই ২০২৬ ১২:৪৭:৪৭ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

দিনাজপুরে অজ্ঞাত রোগে ১১ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত : ০৯:৫০ এএম, ২৮ জুন ২০১৫ রবিবার | আপডেট: ০৯:৫০ এএম, ২৮ জুন ২০১৫ রবিবার

dinaj-child-death-24771স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, দিনাজপুর : অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত ১২ শিশুর মধ্যে ১১ জনের মৃত্যুতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে গোটা দিনাজপুরে। নিহতদের পরিবারের দাবি, বাড়ির পাশের বাগানের লিচু খাওয়ার পরই অসুস্থ হয়ে পড়ে শিশুরা। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, অনিয়ন্ত্রিত কীটনাশক মিশ্রিত লিচু খেয়ে তাদের মৃত্যু হয়। তবে, ঘটনা তদন্তে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গঠন করা হয়েছে কমিটি। আর, দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পহেলা জুন রাতে অসুস্থ হয়ে পড়ে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার পূর্ব সাদিপুর গ্রামের খাইরুল ইসলামের তিন বছরের শিশু কন্যা নিশি আক্তার। পরদিন, তাকে ভর্তি করা হয় দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এরপর ১৮ জুন পর্যন্ত অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হয়ে, হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে ভর্তি হয় জেলার বিভিন্ন উপজেলার আরো ১১ শিশু। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়, নিশি ছাড়া বাকী সবাই মারা যায়। তাদের পরিবারের দাবি, বাড়ির আশপাশের বাগান থেকে লিচু খাওয়ার পরই অসুস্থ হয় তারা। এদিকে, সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান IEDCR, দফায় দফায় পরিদর্শন করেও কোন কারণ জানাতে না পারায়, আতঙ্কিত মানুষজন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, লিচু খাওয়ার পর থেকেই হঠাৎই শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়তে থাকে। তবে, মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক মিশ্রিত লিচু খেয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। দিনাজপুর মেডিকেল হাসপাতাল শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সবিবুর রহমান বলেন, 'লিচুর কীটনাশকের সঙ্গে এর সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে মনে করি।' আইইডিসিআর পরিচালক অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান জানান, 'ফলের মধ্যে নিয়ম মেনে কীটনাশক ব্যবহার না করার ফলে এ ধরণের ঘটনা ঘটছে।' এদিকে, বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে জেলা প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটি। আর, তদন্ত প্রতিবেদনের পর দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, 'খাদ্যদ্রব্যে কীটনাশক ব্যবহার করা অমানবিক ব্যাপার। এ ধরনের ঘটনা যারা ঘটাবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।' জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০১২ সালের জুন মাসে একইভাবে আক্রান্ত হয়ে ১৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছিল ২৮.০৬.২০১৫