ঈদ বাজার : ব্যস্ত দর্জিপাড়া
প্রকাশিত : ০৬:০৬ পিএম, ২৮ জুন ২০১৫ রবিবার | আপডেট: ০৬:০৬ পিএম, ২৮ জুন ২০১৫ রবিবার
মাজেদুল হক তানভীর, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা : ঈদকে সামনে রেখে রোজা শুরুর আগে থেকেই ভীড় জমতে শুরু করেছে দর্জির দোকানগুলোতে। রোজায় এ ব্যস্তাতা বেড়ে গেছে দ্বিগুণ। অবিরাম কাজ করে চলেছেন রাজধানীর পোশাক সেলাই কারিগররা। তবে তারা জানান,বিরূপ আবহাওয়া আর যানজটের কারণে কাঙ্ক্ষিত গ্রাহকের দেখা মিলছেনা এখনও। মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উত্সব ঈদুল ফিতর চলে এসেছে। বাজারে রেডিমেড পোশাক থাকলেও মেয়েদের অনেকেরই পছন্দ দর্জি দিয়ে তৈরি করা পোশাক।
দর্জিবাড়িতে আগতরা বলছেন,পছন্দের রঙ,কাপড়ের মান,আর সঠিক মাপের পোশাক পেতেই এখানে আসা। ঈদকে ঘিরে এজন্য মজুরি একটু বেশি হলেও মেনেই নিচ্ছেন তারা। নির্ধারিত সময়ে সবার হাতে নতুন পোশাক তুলে দিতে দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন কারিগররা। দর্জিপাড়ার ব্যস্ততা সম্পর্কে গাউছিয়া মার্কেটের ইসমাইল ম্যানসনের তারেক টেইলার্সের কারিগর আসলাম জানান, শবেবরাতের আগে থেকে অনেকেই ঈদের পোশাকের অর্ডার দিয়েছেন। ঈদ সামনে রেখে তারা এখন খুবই ব্যস্ত। এখন দম ফেলার সময় নেই। গ্রাহকদের কাছে সময়মত কাজ বুঝিয়ে দিতে দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন তারা। ১০ রমজানের পর আর অর্ডার নেয়া সম্ভব হবে না বলেও তিনি জানান।
সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, কারিগরদের কেউ কেউ ব্যস্ত গ্রাহকের মাপ অনুযায়ী থান কাপড় কাটায়, কেউ ব্যস্ত সেলাইয়ের কাজে। অনেকে ব্যস্ত গ্রাহকের শরীরের ঠিকঠাক মাপ নেয়ার কাজে। ব্যস্ততার এ চিত্র এখন নিত্য দিনের। সব মিলিয়ে ব্যস্ততা এখন চরমে।
বিভিন্ন মার্কেটের দর্জির দোকানগুলো ছাড়াও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার পাড়া-মহল্লার টেইলার্সেও চলছে সমান তালে ব্যস্ততা। দিন-রাত নতুন নতুন পোশাক বানিয়ে চলেছেন তারা। লালমাটিয়ার কয়েকজন দর্জির সঙ্গে কথা করে জানা গেছে, তাদের এই ঈদ ব্যস্ততা চলবে চাঁদরাত (ঈদের আগের রাত) পর্যন্ত। ১৫ রোজার পর আর অর্ডার নেয়া হবে না বলেও অনেক দোকানে টানিয়ে দেয়া হয়েছে বিজ্ঞপ্তি।
গ্রাহক এবং দর্জিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,সিল্ক,জর্জেট, কাতান ও বেনারসি কাপড়ের মজুরি এ বছর অনেক বেশি। এসব কাপড়ের এক সেট থ্রিপিস বানাতে মজুরি লাগছে ২৫০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত। বিভিন্ন মার্কেট এবং স্থানভেদে দর্জির মজুরি নির্ধারিত হচ্ছে।
ধানমন্ডি, গুলশান,বনানী ও উত্তরার মতো অভিজাত এলাকায় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের টেইলার্সে মজুরির হার হাজার টাকা ছাড়িয়ে গেছে।
২৯.০৬.২০১৫ 