চট্টগ্রামে নারীদের দখলে ঈদ বাজার
প্রকাশিত : ১১:২৩ এএম, ২৯ জুন ২০১৫ সোমবার | আপডেট: ১১:২৩ এএম, ২৯ জুন ২০১৫ সোমবার
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, চট্টগ্রাম : জমে উঠেছে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের ঈদ বাজার। নারী ক্রেতার আগমনে মুখরিত হয়ে উঠেছে শপিং সেন্টারগুলো। নগরীর বিভিন্ন বিপণী বিতানগুলো ঘুরে দেখা গেছে ক্রেতাদের সরব উপস্থিতি। নিউমার্কেট থেকে ষোলশহর শপিং কমপ্লেক্স, টেরি বাজার, সানমার ওশান সিটি, গুলজার টাওয়ার, মিমি সুপার মার্কেট, হকার্স মার্কেট, আফমি প্লাজা, সেন্ট্রাল প্লাজা, মতি টাওয়ার, লাকী প্লাজাসহ বিভিন্ন শপিং মলগুলোতে দেখা গেছে ক্রেতাদের ভিড়।
নিউমার্কেটে কেনাকাটা করতে আসা আয়শা নাজনীন বলেন, রোজার শুরুর দিকেই আমি সব সময় কেনাকাটা করে ফেলি। শেষ দিকে মার্কেটে ভিড় বেশি থাকে। তা ছাড়া রোজা রেখে এনার্জিও থাকে না।
কি কি কিনছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্বামী ও বাচ্চাদের কেনাকাটা শেষ। মা আর শাশুড়ির জন্য শাড়ি কিনতে এসেছি আজ। কয়েকজন আত্নিয়ের জন্য কিনতে হবে। নিজের জন্য কিনবো সবার শেষে।
বিক্রেতারা জানান, বৃষ্টি না থাকায় এবং সরকারি ছুটির দিন হওয়ার কারণে আজ ক্রেতাদের উপস্থিতি ভালো। রোজার শুরুর দিকের সময় হওয়ার কারণে শপিং মলগুলোতে দেখা গেছে নারী ক্রেতাদের ভিড়। রেডিমেট পোশাকের তুলনায় আনস্টিচ জামা ও থান কাপড়ের প্রতিই আগ্রহ বেশি তাদের। আনস্টিচ জামার মধ্যে তরুণীদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে ভারতীয় ও পাকিস্তানি থ্রি পিস।
ভারতীয় থ্রি পিস দিল্লি বুটিকস, প্রাচী, জোবাইদা, জিসা, ওমটেক্স, কোয়াব, জয়া, মহিনি, বিপুল কলি, বাণী কটন, জয় বিজয়, রাকি কটন, কাশিশ, ফালাক, সৈকত, ফ্লু টাচ, সাওকত এবং পাকিস্তানের মতিজ, পাটোল, রানাআচ, ওয়াচডন, কিসেন্ড, গুল আহমদ, সোবিয়া নাজির, কারিশমা, কিচেন, জয়নাব, চোটানী, আসিম জোফা, মারিয়াবির বেশ কদর রয়েছে বলে জানান বিক্রেতারা। মতি টাওয়ারের কাপড় বিক্রেতা সোলেমান মিয়া বলেন, ক্রেতাদের চাহিদার কথা মাথায় রেখেই নানা ডিজাইনের কাপড় বাজারে এসেছে। ক্রেতাদের উপস্থিতি সন্তোষজনক। বিক্রিও ভালো হচ্ছে। শেষের দিকে বিক্রি আরো জমবে।
এছাড়া বাজারে রেডিমেট কাপড়ের ডিজাইনের মধ্যে দেখা গেছে কটি দেওয়া কামিজের প্রাধান্য বেশি। জমকালো এসব পোশাকের মধ্যে রয়েছে কটি দেওয়া লং কামিজ, সারারা, ফোর পিস লাসা, ফ্লোরটাচ গাউন, স্ট্রেটকাটের কামিজ। গরমে যারা আরাম খোঁজেন তাদের জন্য রয়েছে সুতি কাপড়ে বাটিক, এমব্রডারির কাজে কামিজ। রয়েছে টপস, লং কুর্তি সহ নজরকাড়া ডিজাইনের সম্ভার।
থ্রি পিস ও থান কাপড়ের পাশাপাশি রয়েছে দেশি জামদানি ও কাতান শাড়ি। গ্রাহকদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে বিক্রেতারা সংগ্রহে রেখেছেন সান্দদা কাতান, অপেরা, বেনারসি, গাদোয়াল, মসলিন, বেনারসি, কাঞ্চিভরন, মিনাকুমারী, মৌ মাস্তান, কাশ্মিরী সিল্ক।
নিউমার্কেটের বিক্রয়কর্মী নিউটন মজুমদার জানান, ভারতীয় কাতান ও বেনারস কাতান বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা, কাঞ্চিভরন ও মিনাকুমারী ২০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা, মৌ মাস্তান ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা ও কাশ্মিরী সিল্ক পাওয়া যাবে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। এছাড়া দেশি শাড়ির মধ্যে এখানে মিরপুরী কাতান পাওয়া যাবে ২ থেকে ৪ হাজার টাকার মধ্যে।
২৯.০৬.২০১৫ 