দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে : প্রধানমন্ত্রী
বাসস
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ১১:৪২ পিএম, ১৮ জুলাই ২০১৯ বৃহস্পতিবার
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্নীতি, সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে তাঁর দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন, দেশে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে এসব সামাজিক অনাচারের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা দেশকে দুর্নীতি, সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ মুক্ত এবং দেশে মানুষের জীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাই। এ লক্ষ্যে আমরা সকল কর্ম পরিকল্পনা গ্রহণ করবো।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সুতরাং আমাদের দুর্নীতি, সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ ও মাদকের অপব্যবহারের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে।’
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ এডমিনিস্ট্রেশন সার্ভিস এসোসিয়েশন (বাসা)-এর বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে এ কথা বলেন তিনি।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী পরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এতে বক্তৃতা করেন।
বাসা সভাপতি হেলালউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে এসোসিয়েশনের মহাসচিব শেখ ইউসুফ হারুন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে সমিতির কার্যক্রমের একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বাসা সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা মেধা দিয়ে চাকরিতে এসেছেন। কাজেই আপনাদের মেধা থেকে উদ্ভাবনী শক্তি দিয়ে দেশের উন্নয়নের জন্য নতুন নতুন কি ধরনের কর্মসূচি নেয়া যায় তা আপনাদের চিন্তা করতে হবে। আর সেভাবেই আপনারা কাজ করবেন, তাই আমি আশাকরি।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ দারিদ্র্যমুক্ত হবে, উন্নত জীবন পাবে, তা নিশ্চিত করতে হলে আপনাদের সহযোগিতা আমাদের প্রয়োজন হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা দারিদ্র্যের হার ৪০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২১ শতাংশে নিয়ে এসেছি। একে অন্তত ১৬/১৭ ভাগে নামিয়ে আনতে চাই।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ধারাবাহিতভাবে সরকারে আছি বলেই আমাদের উন্নয়ন কর্মসূচিগুলো আজ দৃশ্যমান হচ্ছে এবং এর সুফল জনগণের কাছে পৌঁছে দেয়া সম্ভব হয়েছে।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা আমাদের বাজেট প্রায় ৮ গুণ বৃদ্ধি করেছি। ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেট দিয়েছি।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার গঠন করার পর থেকেই আমাদের লক্ষ্য ছিল প্রবৃদ্ধিকে অন্তত ৮ ভাগে তুলে আনা। আমরা তা ৮ দশমিক ১৩ ভাগে উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছি।
