রংপুরে ড. স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের একক সঙ্গীতসন্ধ্যা অনুষ্ঠিত
রংপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ০৮:৪১ এএম, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫ শনিবার
রংপুর চেম্বারের আরসিসিআই অডিটোরিয়ামে শুক্রবার রাতে বিশ্বভারতী সঙ্গীত ভবনের রবীন্দ্র সঙ্গীত বিভাগের সিনিয়র ফ্যাকালটি অধ্যাপক ড. শ্রীমতি স্বস্তিকা মুখোপাধ্যয়ের মনোজ্ঞ এক সঙ্গীতসন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়।
রংপুর চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাষ্টি (আরসিসিআই)-এ’র আয়োজনে ও মোতাহার গ্রুপ অব ইন্ডাষ্ট্রিজ এর সহযোগিতায় ঢাকাস্থ ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, রাজশাহীস্থ সহকারী ভারতীয় হাই কমিশন ও কলকাতার শ্রী অরবিন্দ ইনস্টিটিউট অফ কালচার-এর সৌজন্যে এ সঙ্গীতসন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, রাজশাহীস্থ সহকারী ভারতীয় হাই কমিশনের সহকারী হাই কমিশনার মি. সন্দীপ মিত্র। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, রংপুরের এরিয়া কমান্ডার এবং ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) মেজর জেনারেল মো. মাসুদ রাজ্জাক, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, মোতাহার গ্রুপ অব ইন্ডাষ্ট্রিজ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এফবিসিসিআই-এর সাবেক সহ-সভাপতি ও সাবেক পরিচালক এবং রংপুর চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র সাবেক সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু এবং রংপুর চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র সভাপতি মো. আবুল কাশেম। এ সময় বক্তারা বলেন, বাংলা সঙ্গীত জগতে বিশেষ করে বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকের সমৃদ্ধ এবং ঐতিহ্যশালী বহুমাত্রিক বাংলা কণ্ঠ সঙ্গীত পরিবেশনার ক্ষেত্রে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় অন্যতম। প্রখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ ডঃ গোবিন্দগোপাল এবং মাধুরী মুখোপাধ্যায়ের কন্যা স্বস্তিকা শিশুকাল থেকে সঙ্গীতের পরিমন্ডলে বেড়ে ওঠেন।
শিল্পী একে একে কবিগুরুর একাধিক গানসহ অতুল প্রসাদ, রজনীকান্ত ও দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের গান গেয়ে জমকালো সঙ্গীতসন্ধ্যায় উপস্থিত শত শত দর্শক-শ্রোতাদের মোহিত করে রাখেন। সঙ্গীতসন্ধ্যায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ রংপুর চেম্বারের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তা ও পরিচালকবৃন্দ, রংপুর উইমেন চেম্বারের কর্মকর্তা ও পরিচালকবৃন্দ, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ, ব্যাংক-বীমার কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ, সুধীজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে সঙ্গীত উপভোগ করেন।
