চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৬ : সেরা তিশা-কুসুম
নিজস্ব প্রতিবেদক
উইমেননিউজ২৪.কম
প্রকাশিত : ০৬:৪৩ পিএম, ৫ এপ্রিল ২০১৮ বৃহস্পতিবার | আপডেট: ১২:৪৯ পিএম, ৬ এপ্রিল ২০১৮ শুক্রবার
২০১৬ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘোষণা করেছে সরকার। চলচ্চিত্র শিল্পে গৌরবজ্জ্বল ও অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২৬টি ক্যাটাগরিতে শিল্পী ও কলা-কুশলীদের এই পুরস্কার দেওয়া হবে। আজ তথ্যমন্ত্রণালয় এক গেজেট প্রকাশের মধ্য দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এবারের আসরের জুরি বোর্ডের সদস্য ও বিশিষ্ট চিত্র সম্পাদক আবু মুসা দেবু চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তালিকার শুরুতেই আছে আজীবন সম্মাননা পাওয়া শিল্পীর নাম। চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানের জন্য যৌথভাবে এই পুরস্কার পাচ্ছেন ফরিদা আক্তার (ববিতা) ও আকবর হোসেন পাঠান (ফারুক)।
এবারের চূড়ান্ত তালিকায় সর্বোচ্চ ৭টি বিভাগে পুরস্কার পাচ্ছে অমিতাভ রেজা চৌধুরীর ‘আয়নাবাজি’। এরপর নাদের চৌধুরীর ‘মেয়েটি এখন কোথায় যাবে’ ৪টি, তৌকীর আহমেদের ‘অজ্ঞাতনামা’ ও গৌতম ঘোষের ‘শঙ্খচিল’ পেয়েছে ৩টি করে পুরস্কার। প্রতিবছর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার মূল্যায়নের জন্য জুরি বোর্ড গঠন করা হয়।
২০১৬ সালের সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার পাচ্ছে ইমপ্রেস টেলিফিল্মের চলচ্চিত্র ‘অজ্ঞাতনামা’। তবে সেরা পরিচালকের পুরস্কার পাচ্ছেন অমিতাভ রেজা চৌধুরী। তিনি ‘আয়নাবাজি’র জন্য এই পুরস্কার পাচ্ছেন। শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পাচ্ছেন চঞ্চল চৌধুরী; আয়নাবাজিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের জন্য। প্রধান চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার যৌথভাবে পাচ্ছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা (অস্তিত্ব) ও কুসুম শিকদার (শঙ্খচিল)।
এক নজরে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার - ২০১৬
১. আজীবন সম্মাননা: যৌথভাবে ববিতা ও ফারুক।
২. শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র : অজ্ঞাতনামা (ফরিদুর রেজা সাগর)
৩. শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র : ঘ্রাণ (এস. এম. কামরুল আহসান)
৪. শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র: জন্মসাথী (একাত্তর মিডিয়া লিমিটেড ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর)
৫. শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক: অমিতাভ রেজা চৌধুরী (আয়নাবাজি)
৬. শ্রেষ্ঠ অভিনেতা প্রধান চরিত্রে : চঞ্চল চৌধুরী (আয়নাবাজি)
৭. শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী প্রধান চরিত্রে : যৌথভাবে তিশা (অস্তিত্ব) ও কুসুম শিকদার (শঙ্খচিল)
৮. শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পার্শ্ব চরিত্রের : যৌথভাবে আলী রাজ (পুড়ে যায় মন) ও ফজলুর রহমান বাবু (মেয়েটি এখন কোথায় যাবে)
৯. শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পার্শ্ব চরিত্রের : তানিয়া আহমেদ (কৃষ্ণপক্ষ)
১০. শ্রেষ্ঠ অভিনেতা/অভিনেত্রী খল চরিত্রে : শহীদুজ্জামান সেলিম (অজ্ঞাতনামা)
১১. শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী: আনুম রহমান খান সাঁঝবাতি (শঙ্খচিল)
১২. শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক: ইমন সাহা (মেয়েটি এখন কোথায় যাবে)
১৩. শ্রেষ্ঠ নৃত্য পরিচালক : মো. হাবিব (নিয়তি)
১৪. শ্রেষ্ঠ গায়ক: ওয়াকিল আহমেদ (অমৃত মেঘের বারি, চলচ্চিত্র : দর্পণ বিসর্জন)
১৫. শ্রেষ্ঠ গায়িকা : মেহের আফরোজ শাওন (যদি মন কাঁদে, চলচ্চিত্র : কৃষ্ণপক্ষ)
১৬. শ্রেষ্ঠ গীতিকার : গাজী মাজহারুল আনোয়ার (বিধিরে ও বিধি, চলচ্চিত্র : মেয়েটি এখন কোথায় যাবে)
১৭. শ্রেষ্ঠ সুরকার : ইমন সাহা (বিধিরে ও বিধি, চলচ্চিত্র : মেয়েটি এখন কোথায় যাবে)
১৮. শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার: তৌকীর আহমেদ (অজ্ঞাতনামা)
১৯. শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার: যৌথভাবে অনম বিশ্বাস ও গাউসুল আলম (আয়নাবাজি)
২০. শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা : সৈয়দা রুবাইয়াত হোসেন (আন্ডার কনস্ট্রাকশন)
২১. শ্রেষ্ঠ সম্পাদক: ইকবাল আহসানুল কবির (আয়নাবাজি)
২২. শ্রেষ্ঠ শিল্পনির্দেশক: উত্তম গুহ (শঙ্খচিল)
২৩. শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক: রাশেদ জামান (আয়নাবাজি)
২৪. শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক: রিপন নাথ (আয়নাবাজি)
২৫. শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজ-সজ্জা: যৌথভাবে সাত্তার (নিয়তি) ও ফারজানা সান (আয়নাবাজি)
২৬. শ্রেষ্ঠ মেক-আপম্যান: মানিক (আন্ডার কনস্ট্রাকশন)
বাংলাদেশ সরকার চলচ্চিত্র শিল্পের বিকাশ ও উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য ব্যক্তিবিশেষকে এবং শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্রকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করে থাকে। ১৯৭৫ সাল থেকে, "জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার" একটি বড় ইভেন্ট যা বর্ণাঢ্য কর্মসূচি, নৃত্য ও সঙ্গীতের মাধ্যমে প্রতি বছর আয়োজন করা হয়।
