ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৬, মার্চ ২০২৬ ৫:২৮:০৯ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

চলচ্চিত্র অভিনেত্রী রানী সরকার আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪.কম

প্রকাশিত : ০১:০৬ পিএম, ৭ জুলাই ২০১৮ শনিবার | আপডেট: ১০:২৮ পিএম, ৭ জুলাই ২০১৮ শনিবার

চলচ্চিত্র অভিনেত্রী রানী সরকার আর নেই (ইন্না লিল্লাহি...রাজিউন)। আজ শনিবার ভোর ৪টার দিকে ধানমন্ডির একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

 

জানা যায়, বাতজ্বর ও পিত্তথলিতে পাথরসহ শারীরিক বিভিন্ন সমস্যায় কয়েক বছর ধরেই ভুগছিলেন রানী সরকার। বার্ধক্যের কারণে এ সমস্যাগুলো বেশি দেখা দিয়েছিল। পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রথমে তাকে নেওয়া হয়েছিল ধানমন্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালে। এরপর সেখান থেকে ইডেন মাল্টিকেয়ার হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।


চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান জানান, অভিনেত্রী রানী সরকারের জানাজা বেলা ২টা ১৫ মিনিটে এফডিসিতে অনুষ্ঠিত হবে। এফিডিসিতে নামাজে জানাজা শেষে রানী সরকারকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে।

 

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি, চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিবেশক সমিতি, প্রদর্শক সমিতি, ডিরেক্টর গিল্ডস, ফিল্ম ক্লাবসহ চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সকল সংগঠন তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।

 

রানী সরকার সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার সোনাতলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর আসল নাম মোসাম্মৎ আমিরুন নেসা খানম। সোনাতলা গ্রামের ইউপি স্কুল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করেন। এরপর তিনি খুলনা করোনেশন গার্লস স্কুল থেকে মেট্রিক পাস করেন।

 

রানী সরকারের অভিনয়জীবন শুরু করেন ১৯৫৮ সালে। শুরুতেই মঞ্চনাটকে অভিনয় করেন। নাটকের নাম ‘বঙ্গের বর্গী’। ওই বছর তাঁর চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় এ জে কারদার পরিচালিত ‘দূর হ্যায় সুখ কা গাঁও’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। এরপর ১৯৬২ সালে বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার এহতেশামুর রহমান পরিচালিত উর্দু চলচ্চিত্র ‘চান্দা’তে অভিনয় করেন। সেই ছায়াছবির পর থেকে তাঁর নতুন নাম হয় রানী সরকার। ‘চান্দা’ চলচ্চিত্রের সাফল্যের পর উর্দু ছবি ‘তালাশ’ ও বাংলা ছায়াছবি ‘নতুন সুর’-এ কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে অভিনয় করেন। এই ছবি দুটি বেশ জনপ্রিয় হয়। গত শতকের ষাট, সত্তর ও আশির দশকে চলচ্চিত্রে তিনি বেশি অভিনয় করেন।

 

২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে ২০ লাখ টাকা অর্থ সহায়তা দেন। একই বছর বাংলা চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার দেওয়া হয় তাকে।