নতুন জীবনের স্বপ্নে তিন্নি
বিনোদন ডেস্ক
উইমেননিউজ২৪.কম
প্রকাশিত : ০২:৪৮ পিএম, ২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ রবিবার | আপডেট: ০৭:০১ পিএম, ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ সোমবার
শ্রাবস্তী দত্ত তিন্নি। এক সময়ের আলোচিত মডেল ও অভিনেত্রী। ব্যক্তিজীবনে হতাশার কারণে শোবিজ থেকে প্রবেশ করেন নেশার জগতে। অনেক কষ্টে ফিরে আসেন স্বাভাবিক জীবনে। পাড়ি দেন ভিন দেশে। বর্তমানে কানাডার মন্ট্রিলে রয়েছেন এ অভিনেত্রী। আগের বিপর্যস্ততাকে পিছনে ফেলে মেয়ে ওয়ারিশাকে নিয়ে বেশ ভালই আছেন তিন্নি। মেয়েকে নিয়ে নতুন জীবনের স্বপ্ন বুনছেন মা তিন্নি।
সম্প্রতি কানাডায় মিডিয়া জগতের বন্ধু নিরবের সাথে দেখা যায় তিন্নিকে। নিরব জানান, তিন্নি তার মেয়ে ওয়ারিশাকে কানাডাতে স্কুলে ভর্তি করেছে। এখানেই পড়াশোনা করবে সে। অনেক দিন ধরে মিডিয়ার বাইরে সে। মাঝখানে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বেশকিছু ঝামেলা পার করতে হয়েছে তাকে। বর্তমানে সে পুরোপুরি তার মেয়েকে নিয়েই ব্যস্ত। এখন পর্যন্ত অভিনয়ে ফেরার বিষয়টা নিশ্চিত বলতে পারছে না তবে ফিরতেও পারেন।
ক্যারিয়ারের শুরুতে বাংলালিংক, দেশের বিজ্ঞাপন দিয়ে রাতারাতি আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা পান তিন্নি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। একে একে নাটক বিজ্ঞাপনে কাজ করে নিজের অবস্থান বেশ পাকাপোক্তই করে নিয়েছিলেন। ছোট পর্দা ছাপিয়ে বড় পর্দায় জুটি বেঁধেছিলেন ঢাকাই সিনেমার শীর্ষনায়ক শাকিব খানের সঙ্গে।
২০০৪ সালে তিন্নি মিস বাংলাদেশ নির্বাচিত হয়েছিলেন। এরপর অসংখ্যা জনপ্রিয় টিভি নাটকে অভিনয় করেছেন। মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর নির্দেশনায় একটি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত হন তিনি। এছাড়া নূরুল আলম আতিকের ডুবসাঁতার, মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর মেড ইন বাংলাদেশ চলচ্চিত্রগুলোতে অভিনয় করেও বেশ প্রশংসা কুড়ান।
তিন্নি ২০০৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর অভিনেতা আদনান ফারুক হিল্লোলকে বিয়ে করেন। দাম্পত্য কলহের জের ধরেই ২০০৯ সালের শেষের দিকে তিন্নি-হিল্লোল আলাদা থাকতে শুরু করেন। তার বেশ কয়েক বছর পর তাদের বিচ্ছেদের খবর প্রকাশ হয়। এরপর ২০১৪ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি আদনান হুদা সাদকে বিয়ে করেন তিন্নি। ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশ হয় তিন্নির দ্বিতীয় বিয়ের কথা। এ সংসারও তার সুখের হয়নি। বিচ্ছেদে জড়ান তিনি।
ব্যক্তিগত জীবনের উত্থান-পতন, বিয়ে, বিচ্ছেদ, মিডিয়া থেকে আড়াল হওয়া, মাদকাসক্তি সব মিলিয়ে তার জীবন হয়ে উঠেছিল বিশৃঙ্খল ও বিপর্যস্ত। এরপর তাকে মাঝে নাটকে দেখা গেলেও নিয়মিত হননি আর।
