ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৯, জানুয়ারি ২০২৬ ৩:১৩:৫৪ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

স্মার্টফোনের কারণে চোখে যেসব সমস্যা হতে পারে

লাইফস্টাইল ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:২৭ এএম, ৬ জানুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

কাজ, যোগাযোগ, বিনোদন, এমনবী স্বাস্থ্য ট্র্যাকিংয়ের জন্যও স্মার্টফোন আমাদের দৈনন্দিন জীবনে নির্বিঘ্নে মিশে গেছে। তবে স্ক্রিন টাইম বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে চক্ষু বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘক্ষণ মোবাইল ফোন ব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কিত চোখের সমস্যার ক্রমশ বৃদ্ধি লক্ষ্য করছেন। 

যদিও মোবাইল ডিভাইস অপূরণীয় বা স্থায়ী চোখের ক্ষতি করে না, তবে এর অতিরিক্ত ব্যবহার এবং ভুল ব্যবহারের ফলে কিছু চোখের সমস্যা দেখা দিতে পারে। যা আপনার আরাম, দৃষ্টিশক্তি, ঘুম এবং নিয়মিত কর্মক্ষমতাকে প্রভাবিত করে। জেনে নিন স্মার্টফোনের কারণে চোখে কী সমস্যা হতে পারে-

১. ডিজিটাল আই স্ট্রেন (কম্পিউটার ভিশন সিনড্রোম)

মোবাইল ফোন ব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য সাধারণ চোখের সমস্যার মধ্যে ডিজিটাল আই স্ট্রেন হলো সবচেয়ে সাধারণ। এটি কম্পিউটার ভিশন সিনড্রোম নামেও পরিচিত। যখন কোনো ব্যক্তি ফোন ব্যবহার করেন, তখন দীর্ঘ সময় ধরে একটি ছোট ডিসপ্লেতে চোখকে ফোকাস করতে হয়। ক্রমাগত ফোকাসের কাছাকাছি থাকার এই পরিস্থিতির ফলে চোখের পেশীগুলো অতিরিক্ত চাপের মধ্যে পড়ে।

এই রোগের ফলে চোখের ক্লান্তি, মাথাব্যথা, ঝাপসা দৃষ্টি, মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করতে অসুবিধা এবং এমনকী ডাবল ভিশনের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

২. ড্রাই আই

আরেকটি উদ্বেগজনক সমস্যা হলো ড্রাই আই। অন্যান্য চোখের রোগের তুলনায়, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে, এই রোগটি বেশি দেখা যাচ্ছে। স্ক্রিনের দিকে দীর্ঘক্ষণ তাকিয়ে থাকার ফলে চোখের পলক পড়ার হার কমে যাওয়ায় চোখ থেকে অশ্রু ঝরে পড়ার পুরো প্রক্রিয়াটিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এই রোগের ফলে চোখে শুষ্কতা, লালচেভাব, জ্বালাপোড়া, পানি পড়া এবং চোখে কণা বা বালির অনুভূতি তৈরি হতে পারে। চিকিৎসা না করা হলে ধীরে ধীরে পড়া, গাড়ি চালানো এবং স্ক্রিনে কাজ করার ক্ষেত্রে ব্যাঘাত ঘটবে।

৩. চোখের অস্বস্তি এবং ঘুমের ব্যাঘাত

স্মার্টফোনের স্ক্রিন থেকে নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য নির্গত হওয়ার ফলে দৃষ্টিতে অস্বস্তি এবং ঘুম চক্র ব্যাহত হতে পারে। ঘুম নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন মেলাটোনিনের উৎপাদন হ্রাস পায়, বিশেষ করে রাতে ফোনে ক্রমাগত কথা বললে।

নীল আলোর সংস্পর্শে থাকলে তা চোখের ক্লান্তি, ঘুমাতে অসুবিধা এবং ঘুমের মান খারাপ হতে পারে, যা পরোক্ষভাবে চোখের স্বাস্থ্য এবং মানসিক সুস্থতার উপর প্রভাব ফেলতে পারে।