ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৪, জুন ২০২৬ ৫:৪২:১১ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

জ্যাকলিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পথে আদালত

বিনোদন ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:০০ পিএম, ৩১ মে ২০২৬ রবিবার

বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ

বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ

২০০ কোটি রুপির আর্থিক জালিয়াতি ও অর্থপাচার মামলায় বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজের আইনি জটিলতা আরও বেড়েছে। বহুল আলোচিত এই মামলায় অভিনেত্রীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন দিল্লির একটি আদালত।

শনিবার দিল্লির পাটিয়ালা হাউস কোর্ট জানায়, তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) জমা দেওয়া তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনার পর জ্যাকলিন, মূল অভিযুক্ত  সুকেশ চন্দ্রশেখর, তার স্ত্রী লীনা মারিয়া পলসহ অন্যদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের পর্যাপ্ত ভিত্তি পাওয়া গেছে। আগামী ৩ জুন এ-সংক্রান্ত পরবর্তী আইনি কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

শুনানিকালে আদালত পর্যবেক্ষণ করেন, মামলার নথিপত্র ও তদন্তে পাওয়া তথ্য-উপাত্তে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে অপরাধে সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত মিলেছে। ফলে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচারিক প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

তদন্ত সংস্থার দাবি, সুকেশ চন্দ্রশেখরের কথিত অবৈধ কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত থাকার পরও জ্যাকলিন তার সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন। এছাড়া সুকেশের কাছ থেকে তিনি বিভিন্ন মূল্যবান উপহার গ্রহণ করেছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। ইডির মতে, এসব উপহার অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ দিয়ে কেনা হয়েছিল।

তবে শুরু থেকেই সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন জ্যাকলিন। তার দাবি, সুকেশ তাকে প্রতারণার মাধ্যমে পুরো ঘটনায় জড়িয়ে ফেলেছেন এবং তিনি কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত ছিলেন না।

মামলার সূত্রপাত হয় কয়েক বছর আগে। অভিযোগ অনুযায়ী, কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় সুকেশ নিজেকে প্রভাবশালী সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিয়ে এবং একটি সংঘবদ্ধ নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এক ব্যবসায়ী পরিবারের কাছ থেকে প্রায় ২০০ কোটি রুপি হাতিয়ে নেন। পরে তদন্তে তার সঙ্গে জ্যাকলিনের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের বিষয়টি সামনে এলে অভিনেত্রীর ভূমিকাও তদন্তের আওতায় আসে।

এর আগে মামলায় রাজসাক্ষী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন জ্যাকলিন। তবে তদন্ত সংস্থা সেই আবেদন গ্রহণ করেনি।

আদালতের সর্বশেষ নির্দেশের ফলে মামলাটি এখন গুরুত্বপূর্ণ এক পর্যায়ে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। অভিযোগ গঠনের পর আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হবে, যা এই বহুল আলোচিত মামলার ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।