ঢাকা, বুধবার ১০, জুন ২০২৬ ২৩:১৫:৩৭ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

মেহজাবিন বললেন, ‘আমাকে শ্রাবণ বলে ডাকো…’

বিনোদন ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৮:০৫ পিএম, ১০ জুন ২০২৬ বুধবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

আকাশজুড়ে মেঘের ঘনঘটা, ঝিরঝিরে বৃষ্টি, আর সেই ভেজা দুপুরে হঠাৎ করেই যেন কাব্যের ছোঁয়া নিয়ে হাজির হলেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবিন চৌধুরী। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একগুচ্ছ নতুন, বৃষ্টিভেজা ছবি আপলোড করেছেন তিনি, যা মুহূর্তেই নেটিজেনদের মুগ্ধ করেছে। আর ছবিগুলোর ক্যাপশনে তিনি এক মায়াবী আকুতি রেখে লিখেছেন, "আমাকে শ্রাবণ বলে ডাকো..."

প্রকাশিত ছবিগুলোতে মেহজাবিনকে এক অদ্ভুত মায়াবী অবতারে দেখা গেছে। পরনে ছিল গাঢ় বেগুনি রঙের ওপর প্রিন্ট করা এক সুতির শাড়ি। ভেজা চুলে, হালকা সাজে, ছাদ থেকে নেমে আসা বৃষ্টির ছাঁটে তিনি যেন প্রকৃতির সাথে একাকার হয়ে গেছেন। কখনো তিনি দুহাত বাড়িয়ে আকাশ থেকে নেমে আসা বৃষ্টির ফোটাগুলো অনুভব করছেন, কখনো ভেজা ফ্লোরে বসে উদাস মনে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছেন, আবার কখনো বা রেলিংয়ে হেলান দিয়ে বিষণ্ণ সুরে কিছু ভাবছেন। প্রতিটি ছবিতেই তার অভিব্যক্তি আর রূপের এক অনন্য সন্মোহন ধরা পড়েছে।

বিশেষ করে, তার একটি ক্লোজ-আপ ছবিতে চুলে লাগানো ছোট্ট একটি গাঁদা ফুল আর হাতে লাল চুড়ির রিমঝিম শব্দ যেন ছবিগুলোকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে। ভেজা কাঁচের ওপাশ থেকে তোলা কিছু ছবিতে ধরা পড়েছে তার মায়াবী আর্তি, যা ক্যাপশনের সেই "শ্রাবণ বলে ডাকো" ডাকের সাথে একদম মিলেমিশে গেছে।

তার এই ছবিগুলো পোস্ট করার সাথে সাথেই তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ভক্তরা তার এই বৃষ্টির সৌন্দর্য আর মায়াবী লুকের প্রশংসা করে বিভিন্ন মন্তব্য করছেন। অনেকেই বলছেন, মেহজাবীনের এই পোস্ট যেন বর্ষার সেই চিরন্তন বিষণ্ণতা আর কাব্যিক সুন্দরতাকে আরও একবার ফিরিয়ে এনেছে। যান্ত্রিক জীবনের কোলাহল থেকে একটুখানি মুক্তি পেতে প্রকৃতির এই সান্নিধ্যে নিজেকে মেলে ধরার এমন সজীব মুহূর্ত ভক্তদেরও মুগ্ধ করেছে।

এর আগেও মেহজাবীন বিভিন্ন পোস্ট আর ছবিতে নিজের অভিনয়ের বাইরে ব্যক্তিগত নানা মুহূর্ত ভক্তদের সাথে শেয়ার করেছেন, কিন্তু বৃষ্টির সাথে এমন কাব্যিক যোগাযোগ হয়তো ভক্তরাও এই প্রথম দেখল। তার এই ছবিগুলো যেন জানান দিচ্ছে, অভিনয়ের বাইরেও তিনি একজন সংবেদনশীল মানুষ, যার হৃদয় কাব্যের সুরে স্পন্দিত হয়।