ঢাকা, শনিবার ১৮, জুলাই ২০২৬ ১৪:৩৭:৩৭ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

অস্কারজয়ী প্রথম আইরিশ অভিনেত্রী ফ্রিকার আর নেই

বিনোদন ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:০১ এএম, ১৮ জুলাই ২০২৬ শনিবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

অস্কারজয়ী প্রথম আইরিশ অভিনেত্রী ব্রেন্ডা ফ্রিকার মারা গেছেন। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর ৮১ বছর বয়সে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। শুক্রবার (১৭ জুলাই) তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তার এজেন্ট।

ডাবলিনে জন্ম নেওয়া ব্রেন্ডা ফ্রিকার ১৯৬০-এর দশকে মাত্র ১৯ বছর বয়সে অভিনয়জগতে পা রাখেন। চলচ্চিত্র, মঞ্চ এবং আয়ারল্যান্ড ও যুক্তরাজ্যের জনপ্রিয় টেলিভিশন অনুষ্ঠানে অভিনয়ের মাধ্যমে ধীরে ধীরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।

১৯৮৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত মাই লেফট ফুট চলচ্চিত্রে ব্রিজেট ফ্যাগন ব্রাউন চরিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য তিনি সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রীর অস্কার জেতেন। এর মধ্য দিয়ে প্রথম আইরিশ অভিনেত্রী হিসেবে একাডেমি পুরস্কার অর্জনের ইতিহাস গড়েন তিনি। চলচ্চিত্রটির সাফল্য আইরিশ চলচ্চিত্র শিল্পের বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। মাই লেফট ফুট-এর পরিচালক জিম শেরিডান তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, “তিনি ছিলেন একজন অসাধারণ অভিনেত্রী, অসাধারণ মানুষ এবং দৃঢ় ব্যক্তিত্বের অধিকারী।”

আয়ারল্যান্ডের পাশাপাশি হলিউডেও সফল ক্যারিয়ার গড়েছিলেন ব্রেন্ডা ফ্রিকার। দ্য ফিল্ড, সো আই ম্যারিড অ্যান অ্যাক্স মার্ডারার, এ টাইম টু কিল এবং বিশ্বখ্যাত 'হোম অ্যালোন ২' সিনেমায় তার অভিনয় দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। বিশেষ করে 'হোম অ্যালোন ২' সিনেমায় ম্যাকোলে কালকিনের বিপরীতে ‘পিজন লেডি’ চরিত্রে তার অভিনয় আজও স্মরণীয়।

ব্যক্তিজীবনে প্রচারবিমুখ ও রসিক স্বভাবের ছিলেন এই অভিনেত্রী। ২০১৫ সালে প্রকাশিত এক লেখায় তিনি মজার ছলে বলেছিলেন, অস্কার জয়ের চেয়েও হয়তো বেশি গর্বের বিষয় ছিল তার নামটি ডাবলিনের কথ্য ভাষায় ‘নিকার্স’ (অন্তর্বাস) শব্দের সঙ্গে মিলিয়ে ব্যবহার করা হতো।

অস্কার ট্রফি নিয়েও তার ছিল ব্যতিক্রমী দৃষ্টিভঙ্গি। তিনি একসময় সেটি দীর্ঘদিন নিজের বাড়ির রান্নাঘরের সিঙ্কের নিচে একটি প্লাস্টিকের শপিং ব্যাগে রেখে দিয়েছিলেন। পরে সেটি বসার ঘরের শেলফে স্থান পায়। ডাবলিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের পরিচালক ও তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু গ্রেইন হামফ্রিস বলেন, ব্রেন্ডা ফ্রিকার ছিলেন সত্যিকার অর্থেই এক অনন্য ও ব্যতিক্রমী ব্যক্তিত্ব।