ঢাকা, রবিবার ২৭, সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫:০৫:১২ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

পিসিওএস নিয়ন্ত্রণে রাতে যে ৩ অভ্যাস জরুরি

লাইফস্টাইল ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:৩২ পিএম, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শনিবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম বা পিসিওএস (PCOS) এখন অনেক নারীরই পরিচিত সমস্যা। এটি নিয়ন্ত্রণে শুধু ওষুধের ওপর নির্ভর না করে জীবনযাপনেও পরিবর্তন আনা জরুরি। নিয়মিত শরীরচর্চা, স্বাস্থ্যকর খাবার ও পর্যাপ্ত ঘুমের পাশাপাশি রাতের কিছু অভ্যাসও পিসিওএস ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।


বিশেষ করে ঘুমের আগে মোবাইল বা অন্য পর্দার যন্ত্র ব্যবহার, রাতে দেরিতে ভারী খাবার খাওয়া এবং অনিয়মিত ঘুমের অভ্যাস শরীরের হরমোনের ভারসাম্য ও বিপাকীয় স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই পিসিওএস নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাতে এই তিন অভ্যাসে পরিবর্তন আনা জরুরি।


ঘুমের আগে পর্দার যন্ত্র নয়


ঘুমাতে যাওয়ার সময় মোবাইল, কম্পিউটার বা টেলিভিশন দেখা এড়িয়ে চলা ভালো। এসব যন্ত্রের আলো ঘুমের জন্য প্রয়োজনীয় মেলাটোনিন হরমোনের উৎপাদনে বাধা দিতে পারে। ফলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরে চাপের সঙ্গে সম্পর্কিত হরমোনের মাত্রাতেও পরিবর্তন আসতে পারে। পিসিওএস থাকলে পর্যাপ্ত ও নিয়মিত ঘুম তাই বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।


রাতে দেরি করে ভারী খাবার নয়


অনেকেই রাত ১১টা বা ১২টার দিকে রাতের খাবার খান। আবার সেই খাবারও হয় ভারী বা অস্বাস্থ্যকর। পিসিওএস থাকলে এমন অভ্যাস এড়িয়ে চলা ভালো।


পিসিওএসের সঙ্গে ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমে যাওয়ার সমস্যা থাকতে পারে। দেরিতে খাবার খাওয়া ও অস্বাস্থ্যকর খাবারের অভ্যাস শরীরের বিপাকক্রিয়া এবং রক্তে শর্করার মাত্রায় প্রভাব ফেলতে পারে।


তাই ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত দুই থেকে তিন ঘণ্টা আগে হালকা ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস করা যেতে পারে। খাবারে পর্যাপ্ত আমিষ রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।


ঘুম ও খাবারের নির্দিষ্ট সময় রাখুন


কখনো তাড়াতাড়ি ঘুমানো, আবার কোনো দিন অনেক রাত পর্যন্ত জেগে থাকা—এমন অনিয়মিত জীবনযাপন শরীরের জৈবিক ঘড়ির স্বাভাবিক ছন্দে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।


একইভাবে প্রতিদিন ভিন্ন সময়ে ঘুম থেকে ওঠা বা সকালের খাবার বাদ দেওয়ার অভ্যাসও শরীরের বিপাকীয় স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে ইনসুলিনের ভারসাম্য ও ওজন নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হতে পারে এবং মাসিকের নিয়মিততাও ব্যাহত হতে পারে।


তাই পিসিওএস নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো, ঘুম থেকে ওঠা এবং খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।


শুধু রাতের অভ্যাস নয়


পিসিওএস নিয়ন্ত্রণে জীবনযাপন গুরুত্বপূর্ণ। তাই রাতের এসব অভ্যাসের পাশাপাশি নিয়মিত শরীরচর্চা, স্বাস্থ্যকর খাবার এবং পর্যাপ্ত ঘুমের দিকে নজর দিতে হবে। প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়াও জরুরি।