নারীর ক্ষমতায়ন অবশ্যই চ্যালেঞ্জের: সুবর্ণা
নিজস্ব প্রতিবেদক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ০২:২০ পিএম, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ বুধবার
ছবি : সংগ্রহ করা
দেশের স্বনামধন্য অভিনয়শিল্পী ও পরিচারক সুবর্ণা মুস্তাফা। এবছর একুশে পদক পেয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে সংরক্ষিত নারী আসনে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন একাদশ জাতীয় সংসদে।
আজ বুধবার বাবার মৃত্যুর দিনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ ও একুশে পদক গ্রহণের বিষয়কে কাকতালীয় বললেন এই তারকা অভিনেত্রী ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য।
আজ জাতীয় সংসদ ভবনে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সুবর্ণা মুস্তাফা বলেন, কাকতালীয়ভাবে জীবনের সুখ-দুঃখ মিলে-মিশে একাকার হয়ে যায়।
সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করে ভালো লাগছে জানিয়ে তিনি বলেন, সংরক্ষিত আসনে নারীদের প্রতিনিধিত্ব করতে আসা সহজ বিষয় নয়। আমার জন্য এটা একেবারেই নতুন অঙ্গন।
সুবর্ণা মুস্তাফা বলেন, সংরক্ষিত আসনটা নারী ক্ষমতায়নের জন্য একটা সুযোগ। আমার বিশ্বাস আমরা যারা আজকে শপথ গ্রহণ করেছি তারা নিজেদের কাজের জায়গাটা খুব শিগগিরই বুঝে উঠতে পারব। কারণ, আমি ছাড়া বাকিরা সবাই একেবারে তৃণমূল পর্যায়ে রাজনীতি করে উঠে এসেছেন।
এই অভিনেত্রী বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন অবশ্যই চ্যালেঞ্জের। সেই ক্ষমতা বাড়ানো যায় সঠিকভাবে কাজ করলে।
আজই তিনি একুশে পদক গ্রহণ করবেন। এবার কণ্ঠশিল্পী সুবীর নন্দী, অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা, কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২১ বিশিষ্টজন একুশে পদক পাচ্ছেন। পদকপ্রাপ্তদের মধ্যে সাত জন নারী।
সাংস্কৃতিক পরিবারেই জন্ম সুবর্ণা মুস্তাফার। ১৯৫৯ সালের ২রা ডিসেম্বর ঢাকাতে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা গোলাম মুস্তাফা ছিলেন একজন সুবিখ্যাত অভিনেতা। মা হোসনে আরা মুস্তাফা কলকাতা থেকে কলেজ পাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে পড়াশোনা করেছেন। একসময় কলকাতা রেডিওতে কাজ করতেন। পরবর্তীতে পূর্ব পাকিস্তানের রেডিওতেও কাজ করেছেন প্রযোজক হিসেবে।
সুর্বণা মিডিয়াতে কাজ শুরু করেন অনেক ছোট বয়সে। মায়ের হাত ধরে ৫/৬ বছর বয়সেই বেতারে কাজ করা শুরু করেন। এছাড়া ১৯৭১ সালের আগপর্যন্ত শিশু শিল্পী হিসেবে তিনি টেলিভিশনেও নিয়মিত ছিলেন। তবে যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে ১৯৭৫ সালে 'বরফ গলা নদী'তে অভিনয় দিয়ে টেলিভিশনে আবার যাত্রা শুরু। মঞ্চ নাটক করেছেন দীর্ঘ সময়। বাংলা চলেচ্চিত্রেও তিনি সমান সফল।
