ঢাকা, বুধবার ১৫, জুলাই ২০২৬ ১৫:৫২:২০ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ২৫ ঘণ্টা পর রাজশাহী থেকে বাস চলাচল স্বাভাবিক ফের বাড়ছে তিস্তা-দুধকুমার নদের পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত ৩ মাসের শিশুর পা মোচড় দেওয়া চাচি পলাতক, আটক ৩ রাজধানীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ ফ্রান্সকে বিদায় করে ফাইনালে স্পেন

আজ কানাডা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ০৯:৩৭ পিএম, ৭ জুন ২০১৮ বৃহস্পতিবার

পুরোনো ছবি

পুরোনো ছবি

আজ বৃহস্পতিবার কানাডা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিশ্বের শিল্পোন্নত সাতটি দেশের জোট জি-৭ এর শীর্ষ নেতাদের আউটরিচ সম্মেলনে যোগ দিতে যাচ্ছেন তিনি। এ সফরে তিনি কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন।

ট্রুডোর সঙ্গে বৈঠকে রোহিঙ্গা সমস্যার দ্রুত ও টেকসই সমাধান, মিয়ানমারে তাদের প্রত্যাবাসন এবং বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি নূর চৌধুরীকে কানাডা থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।

মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এ কথা জানান।

তিনি বলেন, জি-৭ জোটের সভাপতি ও কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী জি-৭ জোটের নেতাদের আউটরিচে অংশ নেবেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১২ জন রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এ বছর জি-৭ নেতাদের আউটরিচে নেতারা বিশ্বের সাগর ও মহাসাগরগুলোকে ক্রমবর্ধমান দূষণের হাত থেকে রক্ষা এবং সমুদ্র-সম্পদের টেকসই ব্যবহার নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করবেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে জলবায়ু সহিষ্ণুতা শক্তিশালীকরণে সমন্বিত অভিযোজন পরিকল্পনা, দুর্যোগ মোকাবিলায় জরুরি প্রস্তুতি এবং পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে লিঙ্গভিত্তিক উদ্যোগ ও পরিকল্পনার বিষয়টি তুলে ধরবেন। এর আগে ২০০১ সালে ইতালিতে ও ২০১৬ সালে জাপানে অনুষ্ঠিত জি-৭ আউটরিচ সেশনে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা কানাডা যাচ্ছেন।

এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রী জানান, দুটি অগ্রাধিকারকে সামনে রেখে বাংলাদেশ রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) চিঠির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। যে জনগোষ্ঠীকে আমরা আশ্রয় দিয়েছি আমরা চাই তারা সসম্মানে, স্বেচ্ছায় ও নিরাপত্তার সঙ্গে চলে যাবে এবং প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। একইসঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থও সংরক্ষণ করতে হবে। এ দুটিকে সামনে রেখেই বাংলাদেশ কাজ করছে।

উল্লেখ্য, রোহিঙ্গা নিপীড়ন ইস্যুতে মিয়ানমারের ওপর বিচারিক এখতিয়ার আছে কিনা এ বিষয়ে জানতে চেয়ে গত মাসে বাংলাদেশকে চিঠি পাঠিয়েছে আইসিসি। আগামী ১১ জুনের মধ্যে ওই চিঠির জবাব দেওয়ার কথা। তিস্তার পানিবন্টন চুক্তি ইস্যু: এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান এক্ষেত্রে কোনো অগ্রগতির তথ্য নেই। আমার কোনো মন্তব্য নেই।