আজ বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস, এখনো অবহেলিত নারী
নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪.কমআপডেট: ০৮:৪৭ পিএম, ১১ জুলাই ২০১৮ বুধবার
বর্তমান বিশ্বে ২১ কোটি ৪০ লাখ (২১৪ মিলিয়ন) নারী অতি প্রয়োজনীয় জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ব্যবহারের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ফলে তারা অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের শিকার হচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের অন্যসব দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ বুধবার ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হচ্ছে।
দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য- ‘পরিকল্পিত পরিবার, সুরক্ষিত মানবাধিকর’। বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন এবং দিবসের কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেছেন।
দিবসটি উপলক্ষে জনসংখ্যা ও উন্নয়নবিষয়ক আলোচনা, র্যালি, সেমিনার ও সভার আয়োজন করা হয়েছে। আজ রাজধানীতে মূল অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে। স্পিকার ড. শিরীন শারমীন চৌধুরী এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।
এছাড়া বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার ও প্রাইভেট চ্যানেলগুলো বিশেষ কর্মসূচি সম্প্রচার এবং বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করেছে।
১৯৮৯ সালে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির গভর্নিং কাউন্সিল জনসংখ্যা ইস্যুতে গুরুত্ব প্রদান ও জরুরী মনোযোগ আকর্ষণের লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়।
৫০ বছর আগে মানবাধিকার সংক্রান্ত প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলনে পরিবার পরিকল্পনাকে একটি মৌলিক মানবাধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। অনেক অধিকারের ভিত্তি হিসেবে পরিবার পরিকল্পনা সেবাকে বিবেচনা করা হয়, যা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চুক্তি ও কনভেশন দ্বারা সমর্থিত। ১৯৬৯ সালের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের স্মারক ২৫৪২ (১৯) ধারার ৪ উপধারায় বলা হয়, বাবা-মা মুক্ত ও স্বাধীনভাবে সন্তান গ্রহণ এবং বিরতির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। ১৯৯৪ সালে কায়রোতে অনুষ্ঠিত জনসংখ্যা ও উন্নয়ন সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ঘোষণাপত্রের ধারা ৮-এ বলা হয়, সন্তান সংখ্যা, দুই সন্তানের মাঝে বিরতি দেয়ার বিষয়টি ব্যক্তির অধিকার।
পরিবার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পেত নারীরাই। তবে এখনও এ মানবাধিকার বাস্তবায়ন পুরোপুরিভাবে সম্পাদন হয়নি। এখনও অনেক দেশে নারীরা অনকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের শিকার হয়ে মারা যাচ্ছেন। আবার অতিরিক্ত সন্তান প্রসব করে সবার চক্ষুশূল হচ্ছেন।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দেখা যায়,পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের সর্বশেষ তথ্যমতে, আধুনিক এ সময়েও আমাদের দেশে এখনও ৫৯ ভাগ মেয়ের বিয়ে ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে হয়। দেশে এ নিয়ে নিয়ম এমনকি আইন থাকলেও অনেক অভিভাবকই আজও মেয়েদের পরিবারের বোঝাই মনে করে। আর এ বোঝা যত তাড়াতাড়ি পরিবার থেকে সরানো যায় সে চিন্তাই সবসময় করে। সেই হিসেবে দেশে এখনও পরিবার থেকে কন্যাশিশুর বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
এই অল্পবয়সী বিবাহিত মেয়েদের মধ্যে ৩১ ভাগই প্রথম বা দ্বিতীয়বার গর্ভবতী হন। একে অল্পবয়সে বিবাহে আবদ্ধ হয়ে অন্য পরিবারে সবকিছু সামাল দিতে একজন নারী হিমশীম খেয়ে যায়। তার উপর আবার পরিবার পরিকল্পনা সম্পর্কে ধারণা কয়জনইবা পায়। দেখা গেছে ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী বিবাহিত নারীর মধ্যে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহারের হার মাত্র ৪৭ শতাংশ। বাকী ৫৩ শতাংশ থাকে পুরোই অন্ধকারে। বাচ্চা প্রসব করে পরিবারে খুশির বদলে আরও ধীক্কারের শিকার হন। বর্তমানে আধুনিক পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণের হার ৫৪ দশমিক ১ ভাগ এবং ড্রপ আউটের হার ৩০ শতাংশ। এখনও ৬২ ভাগ নারীর সন্তান প্রসব হয় বাড়িতে। অনেক পরিবার মনে করে নারীর বাচ্চা প্রসব সাধারণ ভাবেই হবে। তাই বাচ্চা প্রসবের সময়ও অনেক পরিবার সেই মাকে নিয়ে হাসপাতালে যায়না। ফলে মা বাচ্চার যে কোন দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। এমনকি অনেকক্ষেত্রে দুজনেরই অকাল মৃত্যু হয়। নামমাত্র কয়েকটি টাকা বাচানোর জন্য মেয়েটির মৃত্যু পর্যন্ত হয়ে যায়।এমনকি বিয়ের পর সন্তান নেয়ার ক্ষেত্রে তাদের কোনো ভূমিকাও থাকে না। এক্ষেত্রে স্বামীর মতামতের উপরই নারীর সবকিছু করতে হয়। ফলে বাল্যবিয়ে, শিশু বিবাহ, সন্তান গ্রহণ, মাতৃমৃত্যু, শিশুমৃত্যু ইত্যাদি ক্ষেত্রে নারীরা আজও চরমভাবে নিগৃহের শিকার।
বিশেষজ্ঞদের মতে , কোনো দম্পতির নিজেদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার শুধু তাদের। এর মধ্যে পরিবারের কেউ কোনভাবেই হস্তক্ষেপ করে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে পারেনা। কোনো দম্পতি কখন সন্তান গ্রহণ করবে, কয়টি সন্তান গ্রহণ করবে, দুটি সন্তানের বয়সের পার্থক্য কত থাকবে- সেই সিদ্ধান্ত অন্য কেউ বলতে পারবে না। এটি মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। রাষ্ট্রের মঙ্গলের জন্য এই মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। স্বামীকে অবশ্যই তার স্ত্রীকে যথযথ সম্মান করতে হবে। তার কথার মর্যাদা দিতে হবে। স্বামী ইচ্ছে করলেই কোন কিছু স্ত্রীর উপর চাপিয়ে দিতে পারবেনা। অর্থ্যাৎ দুজনেরই মধ্যে সহমর্মিতা থাকতে হবে।
এ সমস্যাগুলো সমাধান করতে পারলে খুব সহজে জনসংখ্যা সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করা সম্ভব বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
- শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
- ২৫ ঘণ্টা পর রাজশাহী থেকে বাস চলাচল স্বাভাবিক
- মেসি-এমবাপে কে জিতবেন গোল্ডেন বুট?
- প্রয়োজন ছাড়াই অ্যান্টিবায়োটিক খাচ্ছেন? হতে পারে ভয়ংকর ক্ষতি
- এবার পর্দায় ভিলেন হতে চান পূর্ণিমা
- ফের বাড়ছে তিস্তা-দুধকুমার নদের পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
- সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত
- ৩ মাসের শিশুর পা মোচড় দেওয়া চাচি পলাতক, আটক ৩
- রাজধানীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা
- ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ
- ফ্রান্সকে বিদায় করে ফাইনালে স্পেন
- `স্টার্টআপে ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা সহায়তা দেবে সরকার`
- মাদক বহনকারীরাই ধরা পড়ে, কারবারিরা সংসদে যায়
- সায়েন্সল্যাব মোড়ে শিক্ষার্থীদের অবরোধ
- ‘বউ’ বানানোর নামে নারীদের চীনে পাচার
- সায়েন্সল্যাব মোড়ে শিক্ষার্থীদের অবরোধ
- ঢাকার পানি নামার ৪১ স্লুইসগেটের ২২টিই অচল
- রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের বাস চলাচল বন্ধ
- জলাবদ্ধতায় চলাচলে যেসব ভুলে ঘটতে পারে দুর্ঘটনা, সতর্ক হোন
- ‘বউ’ বানানোর নামে নারীদের চীনে পাচার
- মাদক বহনকারীরাই ধরা পড়ে, কারবারিরা সংসদে যায়
- ৩ মাসের শিশুর পা মোচড় দেওয়া চাচি পলাতক, আটক ৩
- টানা বৃষ্টিতেও ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’
- বন্যা ও পাহাড় ধসে সাত জেলায় প্রাণহানি বেড়ে ৫৪
- ফ্রান্সকে বিদায় করে ফাইনালে স্পেন
- ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ
- ১৯ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া-বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত
- রাজধানীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা
- ফের বাড়ছে তিস্তা-দুধকুমার নদের পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
- ২৫ ঘণ্টা পর রাজশাহী থেকে বাস চলাচল স্বাভাবিক











