ঢাকা, শুক্রবার ১৭, জুলাই ২০২৬ ১৪:২৮:৪৬ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
৬ মাসে ২৩৮ শিশু-কিশোরীসহ ৪০৪ জনকে ধর্ষণ: এইচআরএসএস গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আটক নারীকে মুক্তি দিল ইরান আফগানিস্তানে জাতিসংঘ মিশনের প্রধান হলেন বাংলাদেশের রাবাব ফাতিমা সাম্য ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে আজ রথযাত্রা কর্মসংস্থান ঝুঁকিতে ১২ লাখ পোশাক শ্রমিক, ৬০ শতাংশই নারী নাতনীর মরদেহ নিয়ে ফেরার পথে প্রাণ গেল নানীর ফাইনালের আগে ফিফার শাস্তির মুখে পড়তে পারে আর্জেন্টিনা

আবেদন করলে নম্বরপত্র দিতে হবে শিক্ষার্থীকে

আপডেট: ০৬:৫২ এএম, ২১ আগস্ট ২০১৫ শুক্রবার

HC

সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা : মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী কোনো শিক্ষার্থী নম্বরপত্রের (মার্কশিট) জন্য আবেদন করলে তা সরবরাহের ব্যবস্থা নিতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডকে নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট।

এই বোর্ডের অধীনে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়া এক শিক্ষার্থীকে নম্বরপত্র প্রদানের নির্দেশনা চেয়ে করা এক রিট আবেদনের রায়ে হাই কোর্ট এই মত দিয়েছে। 

সম্প্রতি প্রকাশিত ওই রায়ে বলা হয়, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ট্রান্সক্রিপ্ট (নম্বরপত্রের প্রতিলিপি) সরবরাহের জন্য পদ্ধতি চালু করবে। যদি কোনো এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী ভবিষ্যতে ট্রান্সক্রিপ্ট (নম্বরপত্রের প্রতিলিপি) চায় সেজন্য এটা করতে হবে।

বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের হাই কোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেয়, যা সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে।

একইসঙ্গে রায়ের কপি পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে রিট আবেদনকারী এম নাফিস সালমান খানকে তার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার (এইচএসসি) নম্বরপত্র ও ট্রান্সক্রিপ্ট সরবরাহ করতে বলা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০০১ সালের ১২ মার্চ এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় গ্রেডিং ব্যবস্থা চালু করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।

এতে বলা হয়, “সরকার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল লেটার গ্রেডিং পদ্ধতির প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ লক্ষ্যে ২০০১ সালের অনুষ্ঠিতব্য মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা এবং ২০০৩ সালে অনুষ্ঠিতব্য উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষা থেকে ফলাফল লেটার গ্রেডিং পদ্ধতিতে প্রকাশিত হবে।

“এ বিষয়ে নিম্মোক্ত সিদ্ধান্ত অনুসরণ করতে হবে। ক. পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের কোনো বিভাগ থাকবে না। শুধু প্রতি বিষয়ে প্রাপ্ত লেটার গ্রেড এবং সকল বিষয়ে প্রাপ্ত গ্রেড পয়েন্ট (জিপি) এর ভিত্তিতে পরীক্ষার্থীর গ্রেড পয়েন্ট এভারেজ (জিপিএ) উল্লেখিত থাকবে। লেটার মার্ক ও স্টার মার্ক প্রদান ও মেধা তালিকা প্রণয়ন বা প্রকাশ ইত্যাদি প্রচলিত প্রথা থাকবে না।”

এই প্রজ্ঞাপন সংশোধন করে ২০০৩ সালের ৪ জানুয়ারি আরেকটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এই প্রথা অনুসরণ করে দেশের শিক্ষা বোর্ডগুলো পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে আসছে।

গ্রেডিং পদ্ধতি চালুর পর থেকে শিক্ষা বোর্ডগুলো পরীক্ষার্থীকে নম্বরপত্র দেওয়া বন্ধ করে দেয়।

রাজধানীর সরকারি কবি নজরুল কলেজ থেকে ২০১০ সালের এইচএসসি (বিজ্ঞান) পরীক্ষার্থী এম নাফিস সালমান খান ৪ দশমিক ৩০ পয়েন্ট পাওয়ায় উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষা ও নম্বরপত্র সরবরাহের আবেদন জানান ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে।

এতে বিফল হয়ে ২০১১ সালে হাই কোর্টে রিট আবেদন করেন নাফিস। এতে ২০০১ ও ২০০৩ সালের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি তাকে নম্বরপত্র সরবরাহে নির্দেশনা চাওয়া হয়।

রিটের উপর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০১১ সালের ৭ ডিসেম্বর হাই কোর্ট রুল দেয়। রুলের উপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে চলতি বছরের ২১ এপ্রিল হাই কোর্ট রায় দেয়।

আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এম কামরুল হক সিদ্দিকী ও এ কে এম সালাহউদ্দিন খান। আর ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মিজানুর রহমান ও যায়েদী হাসান খান।

মিজানুর রহমান বৃহস্পতিবার উইমেননিউজকে বলেন, হাই কোর্টের এই রায়ের ফলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডকে ভবিষ্যতে কোনো এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী নম্বরপত্র চাইলে তাকে তা দিতে হবে। তবে ২১ এপ্রিলের আগের কোনো পরীক্ষার্থীর ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য হবে না।  

গত ৪ অগাস্ট রায়ের প্রত্যায়িত অনুলিপি হাতে পেয়েছেন বলে রিট আবেদনকারীর আইনজীবী এ কে এম সালাহউদ্দিন খান জানান।

এই বিভাগের জনপ্রিয়