ঢাকা, রবিবার ১৮, অক্টোবর ২০২৬ ১১:০৮:৫৯ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ছদ্মনামে লিখে সাহিত্য পুরস্কার জিতলেন ইসাবেল আলেন্দে বাঙালি মহীয়সী নারী ইলা মিত্রের জন্মদিন আজ ঢাকায় বৃষ্টি ঝরবে কিনা, জানাল আবহাওয়া অধিদফতর রাজধানীর বাইরে অনুমোদন ছাড়াই চলছিল ইনানীর রিসোর্ট টুপটুপ কলকাতায় পূজামণ্ডপ ভেঙে ১৩ নারীসহ ১৯ জনের প্রাণহানী হাসপাতালে ডাক্তারের ধূমপান, বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ইনানী রিসোর্টে আগুন: নিহতদের ৬ জনের পরিচয় মিলেছে

ইকুয়েডরকে হারিয়ে ৪০ বছর পর নকআউটে জয় মেক্সিকোর

খেলাধুলা ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৩:১৪ পিএম, ১ জুলাই ২০২৬ বুধবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে চার দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটাল মেক্সিকো। শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়ে শুধু শেষ ষোলোয়ই ওঠেনি, ৪০ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জয়ের স্বাদও ফিরিয়ে এনেছে মেক্সিকো।

স্টেডিয়ামের আশপাশে বজ্রঝড়ের কারণে নির্ধারিত সময়ে ম্যাচ শুরু করা সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়ামে (সাবেক অ্যাজটেকা স্টেডিয়াম) খেলা শুরু হয়। তবে দীর্ঘ অপেক্ষা যেন আরও উজ্জীবিত করে তোলে স্বাগতিকদের। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে মেক্সিকো।

প্রথমার্ধেই ম্যাচের ভাগ্য অনেকটা গড়ে ফেলে স্বাগতিকরা। মাত্র নয় মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে তারা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নেয়। প্রথমে বাঁ দিক দিয়ে দুর্দান্ত গতিতে উঠে এসে গোল করেন হুলিয়ান কুইনোনেস। এরপর ইকুয়েডরের রক্ষণভাগের আলগা বল কেড়ে নিয়ে প্রায় ২০ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রাউল হিমেনেস।

দুই গোলে পিছিয়ে পড়লেও ইকুয়েডর লড়াই চালিয়ে যায়। প্রথমার্ধে কয়েকটি ভালো সুযোগও তৈরি করে তারা। জন ইয়েবোয়ার একটি শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। আরেকটি নিশ্চিত গোলের সুযোগ অসাধারণ দক্ষতায় রুখে দেন মেক্সিকোর গোলরক্ষক রাউল রাঙ্গেল। ফলে ২-০ ব্যবধান নিয়েই বিরতিতে যায় মেক্সিকো।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ইকুয়েডর। কিন্তু মেক্সিকোর সংগঠিত রক্ষণ ও আত্মবিশ্বাসী ফুটবলের সামনে তারা খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি। বরং স্বাগতিকরা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে জয় নিশ্চিত করে। যোগ করা সময়ে নতুন নিয়ম ভঙ্গের দায়ে লাল কার্ড দেখেন ইকুয়েডরের ডিফেন্ডার পিয়েরো হিনকাপিয়ে। প্রতিপক্ষের সঙ্গে কথা বলার সময় মুখ ঢেকে রাখায় তাকে মাঠ ছাড়তে হয়। শেষ বাঁশি পর্যন্ত ১০ জন নিয়েই খেলতে হয় ইকুয়েডরকে।

এই জয় মেক্সিকোর জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে এর আগে তাদের একমাত্র জয় এসেছিল ১৯৮৬ সালে। সেবারও একই স্টেডিয়ামে ২-০ গোলে বুলগেরিয়াকে হারিয়ে তারা শেষ ষোলোয় উঠেছিল। দীর্ঘ ৪০ বছর পর আবারও একই ভেন্যুতে একই ব্যবধানে জিতে শেষ ষোলো নিশ্চিত করল স্বাগতিকরা।

নিজেদের মাঠে মেক্সিকোর রেকর্ডও ঈর্ষণীয়। মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়ামে খেলা ৮৯টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের মধ্যে তারা জিতেছে ৭০টি, হেরেছে মাত্র দুটি। বিশ্বকাপে মেক্সিকো সিটিতে খেলা ১০টি ম্যাচেও এখনো অপরাজিত তারা। এছাড়া এবারের বিশ্বকাপে প্রথম চারটি ম্যাচেই কোনো গোল হজম না করে জয় পাওয়া মাত্র চতুর্থ দলে পরিণত হয়েছে হাভিয়ের আগুয়েরের শিষ্যরা।

অন্যদিকে, গ্রুপ পর্বে জার্মানিকে হারিয়ে চমক দেখানো ইকুয়েডরের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হলো হতাশার মধ্য দিয়ে। শেষ ৩২-এর এই জয় মেক্সিকোকে এনে দিয়েছে শেষ ষোলোর টিকিট। শেষ আটে জায়গা নিশ্চিত করার লড়াইয়ে আগামী রোববার তারা মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও ডিআর কঙ্গো ম্যাচের বিজয়ী দলের। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে মেক্সিকো সিটিতে।