ঢাকা, রবিবার ১৮, অক্টোবর ২০২৬ ৫:২১:১৬ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
হাসপাতালে ডাক্তারের ধূমপান, বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ইনানী রিসোর্টে আগুন: নিহতদের ৬ জনের পরিচয় মিলেছে ইনানীতে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানী বেড়ে ৭ বিশ্বমঞ্চে স্বীকৃতি পেল নারী শ্রমিকদের কারখানা আজ মহাসপ্তমী পাঁচ দিনের মাথায় চাকরি হারালেন ট্রাম্পের নতুন প্রেস সেক্রেটারি আজ খোলা থাকবে সব ব্যাংক এক দিনে হাম উপসর্গে আরও ৫ জনের প্রাণহানি

এখন গরু-মহিষকে ঘাস খাওয়াতেও চাঁদা দিতে হয়: রুমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:৩৩ এএম, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ শনিবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

এখন গরু-মহিষকে ঘাস খাওয়াতেও চাঁদা দিতে হয় বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের আংশিক) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নিজ এলাকায় চাঁদাবাজি হলে রাজপথে নামারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার প্রত্যন্ত পাকশিমুল ইউনিয়নের জয়দরকান্দি গ্রামের ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় রুমিন ফারহানা এ হুঁশিয়ারি দেন।


স্বতন্ত্র এই সংসদ সদস্য বলেন, বাংলাদেশের এখন এই অবস্থা হইছে যে গরু-মহিষরে ঘাস খাওয়াইতে হইলেও চান্দা দিয়া খাওয়াইতে হয়। চান্দা না দিলে খামারের মাছের খাবারে বিষ মেশানো হয়।

এ সময় রুমিন ফারহানা বলেন, আমার এলাকায় চান্দাবাজি হইলে আমি কাউকে চিনি না। আমি তার বিরুদ্ধে রাস্তায় দাঁড়াব। ডান পাশে বালুচোর আর বাম পাশে মামলাবাজ নিয়ে আমি রাজনীতি করতে চাই না।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, আমার কোনো আত্মীয় নাই, যাকে সারের ডিলারশিপ দিতে হবে। আমার কোনো আত্মীয় নাই, যাকে রাস্তার কাজের ঠিকাদারি দিতে হবে। আমার কোনো আত্মীয় নাই, যাকে চান্দা দিয়া আপনাদের ব্যবসা করতে হবে।

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমার কোনো কর্মীর বিষয়ে যেকোনো অভিযোগ থাকলে নাম–পরিচয় গোপন রেখে লিখিতভাবে আমাকে জানাবেন। আপনাদের পরিচয় আমি প্রকাশ করব না। কিন্তু সেই কর্মীর ব্যাপারে যে ব্যবস্থার নেওয়ার, আমি সে ব্যবস্থা নেব। আমার কোনো কর্মী যদি আমার কোনো ভোটারের সঙ্গে একটুও বেয়াদবি করে, আমার ওই কর্মীর নাম আমার কাছে জমা দেবেন, বাকি ব্যবস্থাটা আমি করব।’

তা ছাড়া স্বতন্ত্র এই সংসদ সদস্য বলেন, ১৭ বছর আমরা আন্দোলন–সংগ্রাম করেছি। আমরা আশা করেছিলাম, আমরা জনগণের একটা সরকার পাব, যারা বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান করবে, গ্যাসের সমস্যা সমাধান করবে, আইনশৃঙ্খার পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটাবে, জিনিসপত্রের দাম নাগালের মধ্যে রাখবে।... আমাদের এমন দুর্ভাগ্য, ৮০–৯০ টাকা কেজির নিচে সবজি নাই। ঢাকা শহরে একটা ডিমের দাম ১৫ টাকা। গরিব খাবে কী?