কনে ‘বন্দি’ করে বিয়ে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ১০:৩৫ এএম, ১২ অক্টোবর ২০২৬ সোমবার
সংগৃহীত ছবি
দক্ষিণ আফ্রিকার ‘কুং’ জনগোষ্ঠী অন্যান্য জনগোষ্ঠী, এমনকি সান সম্প্রদায়ের অন্যান্য গোষ্ঠীর থেকেও দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষাকৃত বিচ্ছিন্নভাবে বসবাস করে আসছে।
এর পেছনে রয়েছে বান্টু ও ইউরোপীয় অভিবাসী গোষ্ঠীগুলোর শতাব্দীব্যাপী নিপীড়ন ও ভূমি দখলের ইতিহাস। একসময় ‘কুং’ সান জনগোষ্ঠীর মানুষকে শিকার হিসেবেও ব্যবহার করা হতো।
বিয়ের আগে পছন্দের নারী ও তার পরিবারের সম্মতি নিয়ে থাকেন একজন পুরুষ। এ রীতি পৃথিবীর অনেক সমাজে প্রচলিত। কিন্তু ‘কুং’ সমাজে বিয়ের রীতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। কারণ কনেকে ‘অপহরণ’ বা ‘বন্দি’ করতে হয়।
‘কুং’ জনগোষ্ঠীর অন্য গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্ক ও মৈত্রী গড়ে তোলার জন্য বিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কোনো মেয়ে যখন বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছায় এবং বিবাহযোগ্য বলে বিবেচিত হয়, তখন ঐতিহ্য অনুযায়ী—তার প্রথম বিয়ে সাধারণত বাবা-মা ঠিক করেন। মেয়ের জন্য পাত্র বাছাই করার সময় তার পরিবার এমন একজন পুরুষকে নির্বাচন করেন, যে ভালো শিকারি হিসেবে প্রমাণিত; যে তার স্ত্রীর পরিবারের দায়িত্বও পালন করতে সক্ষম ও আগ্রহী।
বিয়ের দিন কনে ও বরের পরিবার যৌথভাবে প্রতীকী ‘অপহরণ’ বা ‘বন্দি করে নিয়ে যাওয়ার’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। কুঁড়েঘর থেকে মেয়েটিকে জোরপূর্বক তুলে এনে বরের কাছে নিয়ে যায় তারা। এ অনুষ্ঠানের সময় কনের মাথা ঢেকে রাখা হয়। পরে তাকে কুঁড়েঘরের ভেতরে শুইয়ে দেওয়া হয়। এরপর বরকে কুঁড়েঘরের দরজার পাশে বসে থাকতে হয়।
বর-কনে পরস্পরের কাছ থেকে সম্মানজনক দূরত্ব বজায় রাখেন। তারা বিয়ের উৎসবেও সরাসরি অংশ নেন না। উৎসব শেষ হওয়ার পর তারা একসঙ্গে রাত কাটান। পরের দিন সকালে বরের মা আনুষ্ঠানিকভাবে নববধূ ও বরকে তেল মাখিয়ে দেন।
মেয়েটি যদি বাবা-মায়ের পছন্দ করা পাত্রে অসন্তুষ্ট হন, তাহলে বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে পালিয়ে গিয়ে প্রতিবাদ করতে পারেন। কনে পালিয়ে গেলে তার পরিবার বরকে অন্তত একটি সুযোগ দিতে পারে। তবে কন্যাকে যদি রাজি করাতে ব্যর্থ হয়, তবে বিয়ের আয়োজন বাতিল হতে পারে।
বিয়ের পর নবদম্পতি সাধারণত স্ত্রীর পরিবারের একই গ্রামে বসবাস করেন। ফলে নতুন জীবনে স্ত্রী তার নিজের পরিবারের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা পেয়ে থাকেন। এই সময়ে স্বামী তার স্ত্রীর পরিবারের জন্য শিকার করে খাবার জোগাড় করেন। তবে দম্পতি যদি একসঙ্গে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ না করেন, তাহলে বিচ্ছেদ গ্রহণযোগ্য। স্বামী বা স্ত্রী—যে কেউ বিচ্ছেদের উদ্যোগ নিতে পারেন।
অন্যদিকে, তাদের সম্পর্ক যদি স্থিতিশীল হয়ে ওঠে, তাহলে তারা স্বামীর বা স্ত্রীর পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতে পারেন। পরিস্থিতি অনুযায়ী, যে পরিবারের সঙ্গে থাকা বেশি সুবিধাজনক, তারা সেখানেই বসতি স্থাপন করেন।
এই জনগোষ্ঠীর দম্পতিদের প্রথম বিয়ে প্রায় অর্ধেকেই ভেঙে যায়। যেহেতু বিবাহবিচ্ছেদ অস্বাভাবিক কিছু না, তাই বিচ্ছেদের প্রক্রিয়াটিও দীর্ঘ হয় না। বিচ্ছেদের পর উভয়েই নিজেদের পরিবারের কাছে আলাদা কুঁড়েঘরে বসবাস করেন। কোনো নারীর প্রথম বিয়ে ভাঙার পর নিজের পছন্দের পুরুষকে বিয়ে করার স্বাধীনতা পান। চাইলে বিয়ে না করেও একা থাকতে পারেন।
- পূজায় অপুর প্রিয় খিচুড়ি-লাবড়া, রইল রেসিপি
- দুর্গাপূজা: বাঙালি হিন্দুদের বড় ধর্মীয় উৎসবে পরিণত যেভাবে
- পূজার রান্না: নারকেল দিয়ে বুটের ডাল ও দুধ শুক্তো
- এক মণ মটর ডালে ২০ ফুটের দুর্গাপ্রতিমা, খরচ ৩০ লাখ টাকা
- কন্যাশিশুর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য রোধে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান
- পূজার ছুটিতে যেসব এলাকায় ব্যাংক খোলা থাকবে
- পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশের মেয়েরা
- কনে ‘বন্দি’ করে বিয়ে
- দিল্লিতে বিক্ষোভে ১২ সাংবাদিক আটক
- সাবেক সেনা কর্মকর্তা গুলশান আরা ও দেবাশীষ কুমার গ্রেপ্তার
- আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
- নারী শিক্ষার অগ্রদূত কবি কামিনী রায়ের জন্মদিন আজ
- দুর্গাপূজায় চলবে তিন জোড়া বিশেষ ট্রেন
- সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা
- তাজমিন হত্যা: হোটেল কর্মচারী রাজু আটক
- কর্মজীবী নারীদের ফেলোশিপ দেবে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি
- আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
- জয়া আহসানের লুকে অভিষেকের শারদীয় ফ্যাশন
- ‘যাও পাখি বলো তারে’র গায়িকা কৃষ্ণকলি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত
- মমতাকে ছেড়ে দিয়েছে দিল্লির পুলিশ
- আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ চান সহযোগী অধ্যাপক তাসনিম
- কন্যাশিশু দিবস:প্রতি ৩ সেকেন্ডে বাল্যবিয়ের শিকার এক কন্যাশিশু
- বাড়ল তেল ও চালের দাম, দিশেহারা ক্রেতারা
- ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনার কবলে তানজিন তিশা
- কোম্পানীগঞ্জে বাসচাপায় মা-মেয়ে নিহত
- পূজার কেনাকাটায় যে বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন
- মেসি ও সুয়ারেজের জোড়া গোলে জয়ে ফিরল ইন্টার মায়ামি
- মোহাম্মদপুরে সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার, যান চলাচল শুরু
- সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা
- তাজমিন হত্যা: হোটেল কর্মচারী রাজু আটক




