ঢাকা, শনিবার ১৮, জুলাই ২০২৬ ১৭:১৪:৫৫ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে আসামি পলায়ন, বরখাস্ত ৭ ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃত্যু বেড়ে ৫ হাজার ৬৯ ঢাবি অধ্যাপক নাজমুন নাহার মারা গেছেন অস্কারজয়ী প্রথম আইরিশ অভিনেত্রী ফ্রিকার আর নেই এআই ঝুঁকিতে ১২ লাখ পোশাক শ্রমিক, অনিশ্চয়তায় নারীরা চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল

কৃষকদের মধ্যে উন্নত প্রযুক্তি বিস্তারে বর্তমান সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে : কৃষিমন্ত্রী

আপডেট: ০২:১৮ পিএম, ২০ জুন ২০১৫ শনিবার

2015-06-20_7_566017স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা : কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, কৃষকদের মধ্যে উন্নত প্রযুক্তি বিস্তারে বর্তমান সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি আজ সংসদে স্বতন্ত্র সদস্য তাজবী আলম সিদ্দিকীর এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, সারের ক্রয় মূল্য চার বার কমানোর ফলে সুষম সার ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। বর্তমানে ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি ও ডিএপি সারের বাজার মূল্য কেজি প্রতি যথাক্রমে ১৬ টাকা, ২২ টাকা, ১৫ এবং ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মতিয়া চৌধুরী বলেন, কৃষক পর্যায়ে সার প্রাপ্তি সহজলভ্য করা হয়। এই নীতিমালার আওতায় প্রতি ইউনিয়নে একজন করে সার ডিলার এবং নয় জন করে খুচরা সার বিক্রেতা নিয়োগ প্রদান, কৃষকদের সারের চাহিদা তাৎক্ষণিক দূরীভূত করতে সরকার কর্তৃক সার বিতরণ মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করেছে। তিনি বলেন, বোরো মৌসুমে সবচেয়ে বেশি গুটি ইউরিয়া ব্যবহারে কৃষকদেরকে উৎসাহিত করা হয়েছে, বোরো মৌসুমে সেচ কাজে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ অগ্রাধিকার প্রদান, উচ্চ ফলনশীল ও মানসম্পন্ন বীজের সরবরাহ বৃদ্ধিকরণ ও কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ২৫ ভাগ ভর্তুকি মূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি কৃষক পর্যায়ে সরবরাহ করা হচ্ছে। বর্তমানে এ ভর্তুকির হার শতকরা ৩০ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, কৃষি গবেষণা কার্যক্রম বৃদ্ধি ও প্রযুক্তি বিস্তারে সম্প্রসারণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিযোজন বা খাপ খাওয়ানোর নিমিত্তে আধুনিক লাগসই কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ, কৃষিভিত্তিক শিল্প কারখানার বিদ্যুৎ বিলে শতকরা ২০ ভাগ হারে রিবেট প্রদান ও সাশ্রয়ী মূল্যে বিদ্যুৎ দ্বারা সেচ প্রদানে স্মার্ট কার্ড প্রচলন করা হচ্ছে। কৃষিমন্ত্রী বলেন, ডাল, তেল, মসলা ও ভুট্টাসহ ২৪টি ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যে ৪ ভাগ সুদহারে বিশেষ কৃষি ঋণ প্রদান, উৎপাদিত প্রধান প্রধান খাদ্যশস্যের সরকারি ক্রয় মূল্য বৃদ্ধি, ‘দি পেস্টিসাইড অর্ডিন্যান্স ১৯৭১’ এবং ‘দি পেস্টিসাইড রুলস ১৯৮৫’ মোতাবেক কীটনাশক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, দক্ষিণ অঞ্চলের লবণাক্ত এলাকায় ব্রি ধান-৪৭, বিনাদ ধান-৮ ও বিনা ধান-৯ এবং জলমগ্নতা সহিষ্ণু ব্রি ধান-৫১, ব্রি ধান-৫২ জাতের ধান চাষ সম্প্রসারণ, বিলম্বে রোপণ উপযোগী এলাকায় স্থানীয় জাতের পরিবর্তে আমনে মৌসুমে উচ্চ ফলনশীল বিআর-২২, বিআর-২৩ এবং লবণাক্ত অঞ্চলে ব্রি ধান-৪০ ও ব্রি ধান-৪১ সম্প্রসারণ করা হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, আউশ মৌসুমের উপযোগী উচ্চ ফলনশীল ব্রি ধান-২৬, ব্রিধান-২৭, ব্রিধান-৪২, ব্রিধান-৪৩ ও ব্রিধান-৪৮ আবাদ সম্প্রসারণের কর্মসূচি গ্রহণ, ধৈঞ্চা চাষ, খামারজাত সার এবং জৈব সার উৎপাদন ও ব্যবহার সম্প্রসারণ ও সারা দেশে ৭২৭টি কৃষক তথ্য ও পরামর্শ কেন্দ্র (ফিয়াক) স্থাপন ও কৃষকদের প্রয়োজনীয় তথ্য ও পরামর্শ প্রদান হচ্ছে। কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষক পর্যায়ে হাতে কলমে নতুন প্রযুক্তি বিস্তারের লক্ষ্যে বিভিন্ন ধরনের প্রদর্শন/পার্টিসিপেটরী রিসার্চ প্লট স্থাপন বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পাহাড়ী এলাকার তুলাচাষীদের জন্য জুম চাষের পরিবর্তে সমভূমির তুলা চাষ ও ধান-তুলার আন্তঃচাষ প্রযুক্তি সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, গবেষণার মাধ্যমে সিবি-১২, সিবি-১৩ ও সিবি-১৪ নামে তিনটি নতুন উচ্চফলনশীল জাত অবমুক্ত করা হয়েছে। যার উৎপাদন হাইব্রিড জাতের সমতুল্য হওয়ায় চাষী পর্যায়ে ব্যাপক সমাদৃত হয়েছে। এছাড়া, আরো ২/১টি লাইন জাত হিসেবে অবমুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। বিটি কটন প্রবর্তনের জন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ২০.০৬.২০১৫