ঢাকা, রবিবার ২৯, মার্চ ২০২৬ ১৫:৩১:৫৬ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
টিউলিপকে আদালতে হাজির হতে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ ১১ জেলার ডিসি প্রত্যাহার, নতুন ডিসি নিয়োগ কর কর্মকর্তা তানজিনা সাময়িক বরখাস্ত পর্যটন খাত উন্নয়নে বাংলাদেশ-নেপাল যৌথভাবে কাজ করবে বিশ্ববাজারের প্রভাব, দোলাচলে সোনার দাম ইরানে একদিনে সর্বোচ্চ হামলার রেকর্ড

ক্যান্সারের চিকিৎসায় মুরগির ডিম!

ফিচার ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৩:২৪ এএম, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ রবিবার

গতবছরের এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিশ্বে প্রতিবছর ৮২ লাখ মানুষ ক্যান্সারে মৃত্যুবরণ করে। প্রতিদিন নতুন করে ৩৩৪ জন মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে। এর ব্যয়বহুল চিকিৎসা করতে গিয়ে সর্বশান্ত হয় ৭০ ভাগ মানুষ। তবে নতুন এক গবেষণার মতে, ক্যান্সার চিকিৎসায় নতুন এক ধরনের ডিম আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা। এসব মুরগির শরীরে আছে মানব জিন। আর মুরগির ডিমে এমন কিছু প্রোটিন রয়েছে যা দিয়ে ক্যান্সারের চিকিৎসায় ওষুধ বানানো সম্ভব।

গবেষকরা বলছেন, এ ধরনের ডিমে এমন কিছু ওষুধ থাকবে যা দিয়ে আর্থ্রাইটিসসহ কয়েক ধরনের ক্যান্সারের চিকিৎসা করা সম্ভব। শুধু তাই নয়, বলা হচ্ছে যে কারখানায় এসব ওষুধ উত্‍পাদন করতে যতো খরচ হবে, মুরগির মাধ্যমে এই একই ওষুধ তৈরিতে খরচ পড়বে তার চেয়ে একশো গুণ কম। গবেষকরা এটাও বিশ্বাস করেন যে এই পদ্ধতিতে বাণিজ্যিক পরিমাণেও ওষুধ তৈরি করা সম্ভব। ব্রিটেনে এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসলিন টেকনোলজিসের গবেষক ড. লিসা হেরন বলেন, ডিম পাড়লে মুরগির স্বাস্থ্যেরও কোনো ক্ষতি হয় না।

বিজ্ঞানীরা এর আগে পরীক্ষা করে দেখিয়েছেন ছাগল, খরগোশ এবং মুরগির শরীরে জিনগত কিছু পরিবর্তন ঘটালে তাদের ডিম কিংবা দুধে এমন কিছু প্রোটিন তৈরি হয় যা ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এবার যে পরীক্ষাটির কথা বলা হচ্ছে, সেটি আগের তুলনায় অনেক বেশি কার্যকরি, উন্নত মানের এবং এই পদ্ধতিতে খরচও অনেক কম। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই ওষুধের একটি ডোজ তৈরি করতে মাত্র তিনটি ডিমই যথেষ্ট এবং একটি মুরগি বছরে ৩০০টির মতো ডিম পাড়তে পারে।

তারা পরীক্ষা করে দেখেছেন, এই ডিমের সাদা অংশের মধ্যে বিশেষ ঐ প্রোটিন পাওয়া গেছে। হেরন জানান, ডিমের সাদা অংশের মধ্যে প্রচুর পরিমাণ মানব প্রোটিন রয়েছে। মানুষের রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে দুটো গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিন হচ্ছে IFNalpha2a এবং macrophage-CSF, যার উপরে বিজ্ঞানীরা তাদের গবেষণায় গুরুত্ব দিয়েছেন। প্রথম প্রোটিনটি ক্যান্সার প্রতিরোধী এবং দ্বিতীয়টি ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যুকে সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে।

খরচ কম হওয়ার নেপথ্য কারণ হচ্ছে, মুরগির ঘর তৈরি করতে খুব বেশি ব্যয় করতে হয় না। কিন্তু কারখানায় এসব প্রোটিন উত্‍পাদনের জন্যে জীবাণুমুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে লাগে প্রচুর অর্থ। বিজ্ঞানীরা বলছেন, মানবদেহে নানা রোগের জন্ম হওয়ার পেছনে একটি বড় কারণ হলো আমাদের শরীর কোন একটি নির্দিষ্ট রাসায়নিক কিম্বা প্রোটিন খুব বেশি পরিমাণে তৈরি হয় না। কিন্তু এসব প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ করার মাধ্যমে অনেক রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।