ঢাকা, বুধবার ১৪, অক্টোবর ২০২৬ ১১:৫০:০৩ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সরকারি স্কুলে ভর্তি, আসছে নতুন নীতিমালা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছুরি দিয়ে হামলার চেষ্টার অভিযোগ বিলিয়ন ডলারের উত্থানেও পিছিয়ে নারী ফুটবলাররা ভারতে গঙ্গায় নৌকাডুবি, শিশুসহ নিহত ১১ ফারজানা রুপার পক্ষে মামলা লড়তে দুই ব্রিটিশ আইনজীবীর আবেদন

চিনির বদলে কি গুড় খাওয়া ভালো

লাইফস্টাইল ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:২১ এএম, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ বুধবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

আমাদের মধ্যে যখন কেউ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন বা স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার চেষ্টা করেন, তখন চিনি খাওয়া কমানো হলো প্রথম পরিবর্তনগুলোর মধ্যে একটি যা বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ হিসেবে দিয়ে থাকেন। এর ফলে অনেকেই কৃত্রিম মিষ্টির দিকে ঝুঁকে পড়েন, কিন্তু সাধারণ চিনির পরিবর্তে গুড় ব্যবহার করলেই যে আপনার খাদ্যতালিকা স্বাস্থ্যকর হয়ে উঠবে, এমনটা নয়। 

আপনি যদি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন কিংবা ওজন কমানোর চেষ্টায় থাকেন এবং স্বাস্থ্যকর মিষ্টির বিকল্প খুঁজে থাকেন, তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা কী বলেন।

গুড়কে সাধারণ চিনির স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবে দেখা হয়, কারণ এটি বেশি প্রাকৃতিক বলে মনে করা হয়। কিন্তু ক্যালোরির ক্ষেত্রে পার্থক্যটা খুব বেশি নয়। পুষ্টিবিদদের মতে, এক টেবিল চামচ সাধারণ চিনি এবং গুড় থেকে প্রায় ৬০ ক্যালোরি পাওয়া যায়।

এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্সও গুড়কে কোনো বাড়তি সুবিধা দেয় না। সাধারণ চিনি: জিআই ৬০, গুড়: জিআই ৭০। এর মানে হলো, চিনির বদলে গুড় ব্যবহার করলেই কোনো মিষ্টি পানীয় বা খাবার স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম-ক্যালোরিযুক্ত বা রক্তে শর্করার জন্য সহায়ক হয়ে যায় না। 

গুড়ে অল্প পরিমাণে খনিজ পদার্থ থাকে, যে কারণে এটিকে কখনও কখনও পরিশোধিত চিনির চেয়ে বেশি পুষ্টিকর বলে মনে করা হয়। কিন্তু এর পরিমাণটা গুরুত্বপূর্ণ। এক টেবিল চামচ গুড় থেকে প্রায় ১ মিলিগ্রাম আয়রন পাওয়া যায়। খাদ্যতালিকায় এটি উল্লেখযোগ্য উৎস হিসেবে গণ্য করার জন্য এই পরিমাণ যথেষ্ট নয়।

সুতরাং, ওজন কমানোর জন্য যদি আপনি এই মিষ্টিগুলোর মধ্যে থেকে বেছে নিতে চান, তবে যেটি বেশি প্রাকৃতিক মনে হয় সেটি বেছে নিলে খুব বেশি পার্থক্য নাও হতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর অভ্যাসের অংশ হিসেবে চিনির বদলে গুড় বেছে নেওয়ার আগে একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া বেশি কার্যকরী হতে পারে।