ঢাকা, শনিবার ১৮, জুলাই ২০২৬ ২৩:৫৭:১২ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে আসামি পলায়ন, বরখাস্ত ৭ ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃত্যু বেড়ে ৫ হাজার ৬৯ ঢাবি অধ্যাপক নাজমুন নাহার মারা গেছেন অস্কারজয়ী প্রথম আইরিশ অভিনেত্রী ফ্রিকার আর নেই এআই ঝুঁকিতে ১২ লাখ পোশাক শ্রমিক, অনিশ্চয়তায় নারীরা চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল

জয়ললিতার সম্পদের পরিমাণ চার বছরে দ্বিগুণ

আপডেট: ১২:৪৬ পিএম, ৬ জুন ২০১৫ শনিবার

22032_1উইমেননিউজ ডেস্ক, ঢাকা : ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম জয়ললিতার সম্পদ চার বছরে দ্বিগুণ হয়েছে। ২০১১ সালে তাঁর সম্পদের পরিমাণ ছিল ৫১ কোটি ৪০ লাখ রুপি। আর এখন তা হয়েছে ১১৭ কোটি ১৩ লাখ রুপি। বিধানসভার আর কে নগর আসনে উপনির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামায় সম্পদের এ তথ্য জানান জয়ললিতা। আজ শনিবার টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়। ২০১১ সালে আইনসভার নির্বাচনে তাঁর হলফনামায় স্থাবর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ছিল ৫১ কোটি ৪০ লাখ রুপি। বর্তমানে জমা দেওয়া হলফনামায় দেখা যায় তাঁর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৪৫ দশমিক ০৪ কোটি রুপি। স্থাবর সম্পদ ৭২ দশমিক ০৯ কোটি রুপি। চেন্নাইয়ে তামিলনাড়ুর এই মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি ‘পোএজ গার্ডেন’-এর মূল্য তাঁর ঘোষিত সম্পদের এক-তৃতীয়াংশ। ২১ হাজার ৬৬২ বর্গফুটের ওই বাগানবাড়ির বর্তমান মূল্য ৪৩ কোটি ৯৬ লাখ রুপি। ১৯৬৭ সালে তিনি এই জমি এক লাখ ৩২ হাজার রুপি দিয়ে কিনেছিলেন। ২৫ পৃষ্ঠার এই হলফনামায় জয়ললিতা বলেন, বিভিন্ন ব্যাংকে তাঁর ৯ কোটি ৮০ লাখ রুটি জমা রাখা আছে। এ ছাড়াও জয়া পাবলিকেশনস ও কোদানাদু এস্টেটসহ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে তাঁর অংশীদারত্ব রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে তিনি ৩১ কোটি ৬৮ লাখ রুপি বিনিয়োগ করেছেন। জয়ললিতার রয়েছে নয়টি গাড়ি। যেগুলোর মোট বাজারমূল্য এখন ৪২ লাখ ২৫ হাজার রুপি। আরও আছে ২১ কেজি ২৮০ গ্রাম সোনা আর ১২ শ ৫০ কেজি রুপা। আট মাস আগে দুর্নীতির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হন জয়ললিতা। মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে তাঁকে সরে যেতে হয়। গত মাসে কর্ণাটকের আদালতে মামলা থেকে খালাস পান জয়ললিতা। এর পর নিজ দল এআইএডিএমকের আইনপ্রণেতারা তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী পদে আবার জয়রাম জয়ললিতাকে নির্বাচিত করেন। নিয়ম অনুসারে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাসের মধ্যে তাঁকে রাজ্যের বিধানসভার একটি আসনে নির্বাচিত হতে হবে। ০৬.০৬.২০১৫