ঢাকা, বুধবার ১৫, জুলাই ২০২৬ ৪:০৯:০১ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সায়েন্সল্যাব মোড়ে শিক্ষার্থীদের অবরোধ বন্যা ও পাহাড় ধসে সাত জেলায় প্রাণহানি বেড়ে ৫৪ ঢাকার পানি নামার ৪১ স্লুইসগেটের ২২টিই অচল রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের বাস চলাচল বন্ধ ঢাকার পানি নামার ৪১ স্লুইসগেটের ২২টিই অচল ১৯ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া-বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ০২:২১ পিএম, ৪ অক্টোবর ২০১৮ বৃহস্পতিবার

টিভি থেকে নেয়া

টিভি থেকে নেয়া

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কারও অপরাধী মন না থাকলে এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই। অপরাধী মন যাদের, তারা ভয় পাবে।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যদি তা প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়, তবে সেই সাংবাদিক যে লিখবে, পত্রিকা-ইলেকট্রনিক মিডিয়া বা ডিজিটাল ডিভাইস হোক ব্যবহার করবে আর যে প্রকাশ করবে তাদের সবাইকেই শাস্তি এবং যার বিরুদ্ধে লিখবে তাকে কমপেনশেসন করতে হবে। তাকে ফাইন করা হবে।’

 


আজ বুধবার বিকেল ৪টায় গণভবনে জাতিসংঘের ৭৩তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের অভিজ্ঞতা জানাতে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

 

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তারাই বেশি উদ্বিগ্ন হবে যারা এতদিন ধরে তৈরি হয়ে আছে যে নির্বাচন আসার কাছাকাছি আমাদের ভালো করে ঘায়েল করার জন্য। তারা ডকুমেন্ট তৈরি করে বসে আছে।’

 


এই আইনের মধ্যে একটা জিনিসের ল্যাপ্স আছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘একটা জিনিস আইনে ঢোকানোর দরকার আছে বলে আমি মনে করি। সেটা হলো যদি কেউ কারো বিরুদ্ধে কোন মিথ্যা তথ্য দেয় তাহলে সেই মিথ্যা তথ্যটা তাকে সত্য প্রমাণ করতে হবে। যদি সে প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয় সেই সাংবাদিক যে লিখবে যে পত্রিকা বা ইলেকট্রনিক মিডিয়া বা ডিজিটাল ডিভাইস হোক যে ব্যবহার করবে বা যে প্রকাশ করবে তাদের সবাইকেই শাস্তি পেতে এবং যার বিরুদ্ধে লিখবে তাকে কমপেনশেসন করতে হবে। তাকে ফাইন করা হবে।’

 

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে শুধু আলোচনাই হচ্ছে না একটা চুক্তি হয়েছে। পৃথিবীর সব স্থান থেকে চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

 


নির্বাচনী পরিবেশের বিষয়ে নিয়ে জাতিসংঘের কোনো পরামর্শ পেয়েছেন কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জাবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের ব্যাপারে এমন কোনো পরামর্শ আমাকে কেউ দেননি। তবে যার সঙ্গেই আমি কথা বলেছি তারা আমাকে বেশি উৎসাহিত করেছেন এবং উইশ করেছেন যেন আমি আবার ফিরে আসি।’

 


তিনি বলেন, ‘যার সঙ্গেই আমরা কথা বলেছি, এই সেশনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা হয়েছে তিনি এবং সেক্রেটারি জেনারেল থেকে শুরু করে সরকার প্রধান, রাষ্ট্র প্রাধান প্রত্যেকেই তাদের মনের আকাঙ্খা জানিয়েছেন যে আগামীতে যেন আমরা নির্বাচিত হই। আগামীতে যেন আবার দেখা হয়।’

 


দেশের একটি অনলাইন পোর্টালের সম্পাদক প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, `লিটন দাস ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছিল পুজোর শুভেচ্ছা জানিয়ে এবং দেবীর একটা ছবি দিয়ে। তীব্র সমালোচনা এবং অশ্লীল গালিগালাজের মুখে তিনি সেটা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এগুলো মোকাবেলার জন্য আপনি কী পরামর্শ দেবেন?

 

জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, `সেই ছেলেটা (লিটন দাস) যেভাবে খেলেছে এত চমৎকার। যারা এ ধরনের কাজ করে তারা কিভাবে এটা করে বুঝে আসে না। এরা বিকৃতমনা। এই উগ্রবাদ-মৌলবাদের বিরুদ্ধেই আমাদের সরকার কাজ করছে।

 

তিনি আরও বলেন, `এগুলা মোকাবেলা করার জন্যই তো আমরা সাইবার সিকিউরিটি আইনটি পাশ করেছি। এটা আপনাদের জানা দরকার। এ সমস্ত নোংরামি যাতে না হয় সেটা মাথায় রেখেই সাইবার সিকিউরিটি আইনটি করা।`

 

প্রত্যেকটা দেশেই এটা একটা বিরাট সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী বলেন, `অনেক জায়গায় সামাজিক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে, পারিবারিক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। নানা ধরনের ক্রাইম বা জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস এবং পর্নো নানা ধরনের ঘটনা দেখা দিচ্ছে। সে কারণে এ ব্যাপারে সকলেই প্রচণ্ড উদ্বিগ্ন।`