ঢাকা, বুধবার ১৫, জুলাই ২০২৬ ৩:২২:৪৮ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সায়েন্সল্যাব মোড়ে শিক্ষার্থীদের অবরোধ বন্যা ও পাহাড় ধসে সাত জেলায় প্রাণহানি বেড়ে ৫৪ ঢাকার পানি নামার ৪১ স্লুইসগেটের ২২টিই অচল রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের বাস চলাচল বন্ধ ঢাকার পানি নামার ৪১ স্লুইসগেটের ২২টিই অচল ১৯ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া-বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত

দুর্গাৎসব : মণ্ডপে মণ্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ১২:৫৮ পিএম, ১২ অক্টোবর ২০১৮ শুক্রবার

অাগামী ১৫ অক্টোবর সোমবার থেকে শুরু হবে হিন্দুদের শারদীয় দুর্গাৎসব। সাধারণত আশ্বিন শুক্লপক্ষের ষষ্ঠ দিন অর্থাৎ ষষ্ঠী থেকে দশম দিন বা দশমী অবধি পাঁচ দিন দুর্গাৎসব অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীসহ দেশব্যাপী এখন মণ্ডপে মণ্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতির কাজ।

সোমবার ১৫ অক্টোবর মহাষষ্ঠী, মহ্গলবার ১৬ অক্টোবর মহাসপ্তমী, মহাঅষ্টমী পড়েছে ১৭ অক্টোবর বুধবার, মহা নবমী পড়ছে বৃহস্পতিবার ১৮ অক্টোবর, দশমী পড়ছে ১৯ অক্টোবর।

বিজয়াদশমীতে সর্বসাধারণের জন্য এক দিন এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৩ দিন সরকারি ছুটি থাকবে।

এবার মহাসপ্তমী পড়েছে ১৬ অক্টোবর, অর্থাৎ ২৯ আশ্বিন। পঞ্জিকা মতে সেদিন দেবীর আগমন হচ্ছে `ঘোটক`-এ। অর্থাৎ এবছর দেবী আসছেন ঘোড়ায় চড়ে। পঞ্জিকা মতে, এর ফল `ছত্রভঙ্গ`। শাস্ত্রজ্ঞরা বলছেন, ঘোড়ায় আগমন সেভাবে শুভ বলে মনে করা হয় না, তাই দুর্যোগের একটা আশঙ্কা থাকে।

 

মা দুর্গার গমন দশমীর দিন। এবার দূর্গার গমন হচ্ছে দোলায়। পঞ্জিকা অনুযায়ী এভাবে গমনের ফল `মড়ক` হতে পারে। মনে করা হচ্ছে মায়ের দোলায় গমনও খুব একটা সুখকর নয়। এর ফলাফল বেশ নেতিবাচক।

রাজধানীর বাসাবোর প্রতিমা শিল্পী শশীভূষণ রায় জানান, ১৬-১৮ বছর ধরে বিভিন্ন এলাকার মন্দিরের পূজা উদযাপন কমিটির চাহিদামতো তিনি প্রতিমা তৈরি করছেন। প্রতিমা তৈরির কাজ মোটামোটি শেষ। এখন সেগুলোকে সাজানোর পালা। দুর্গা, কার্তিক, সরস্বতী, লক্ষ্মী ও গণেশের প্রতিমায় শেষ তুলির আঁচড় লাগলে সেগুলো জীবন্ত হয়ে উঠবে।

বিভিন্ন মন্দিরে প্রতিমা তৈরির পাশাপাশি এরই মধ্যে শুরু হয়েছে প্যান্ডেল তৈরি এবং সাজসজ্জার কাজ। প্রতি বছর দুর্গাৎসবে রাজধানীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঝলমলে আলোকসজ্জায় রঙিন হয়ে ওঠে।

রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরের প্রবেশ তোরন থেকে মন্দিরজুড়েই বর্নিল আলোকের রূপবিন্যাস দেখা যায়। এ চিত্র কেবল ঢাকেশ্বরী নয়, দেশের প্রায় সব মন্দির ও পূজামণ্ডপেই দেখা যায়।

রাজধানীর রমনা কালীমন্দির, সিদ্ধেশ্বরী মন্দির, স্বামীবাগ লোকনাথ ব্রহ্মচারী আশ্রম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল, বাংলাবাজার পূজা কমিটি, নর্থব্রুক হল রোড, প্রতিদ্বন্দ্বী পূজা মণ্ডপ, তাঁতীবাজার পূজা কমিটি, শঙ্ঘমিত্র শাঁখারীবাজার, পাণিটোলা, বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির ও শ্মশান কমিটি, হাজারীবাগ সুইপার কলোনি, মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দির, আজিমপুর সার্বজনীন পূজা মণ্ডপ বনানী পূজা মণ্ডপ, গৌতম মন্দির, ভোলাগিরি আশ্রমসহ বিভিন্ন পূজা মন্ডপ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

উল্লেখ্য, গত বছর পূজা মন্ডপের সংখ্যা ছিল ৩০ হাজার ৭৭টি। সারাদেশে এবার পূজামণ্ডপের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। রাজধানী ঢাকায় গতবছর পূজা হয়েছে ২৩১টি মন্ডপে।