ঢাকা, বুধবার ১৫, জুলাই ২০২৬ ২৩:৪১:২৮ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
শেখ হাসিনা ও ১০ শিল্প গ্রুপের ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রী উইডিকম্বকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে:পুলিশ শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ২৫ ঘণ্টা পর রাজশাহী থেকে বাস চলাচল স্বাভাবিক ফের বাড়ছে তিস্তা-দুধকুমার নদের পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত রাজধানীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

ধর্ষককে মৃত্যুদণ্ড দেয়া উচিত না : তসলিমা নাসরিন

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ১২:৫৩ পিএম, ২৪ এপ্রিল ২০১৮ মঙ্গলবার

ভারতে বসবাসরত বাংলাদেশি আলোচিত লেখক তসলিমা নাসরিন বলেছেন, ‘কেউই ধর্ষক হয়ে জন্মগ্রহণ করে না। সমাজ ধর্ষক তৈরি করে। ধর্ষককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া উচিত নয়, তাকে ভালো মানুষ হওয়ার জন্য আইনকে দ্বিতীয়বার সুযোগ দেওয়া উচিত’। 


শনিবার ভারতের কেরালা রাজ্যের একটি শপিংমলে নিজের লেখা ইংরেজি- ‘স্পিল্ট: অ্যা-লাইফ’ বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।


ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ধর্ষণের জন্য দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের এমন আদেশ নিয়ে এক প্রশ্নের জাবাবে তসলিমা নাসরিন বলেন, ‘কেউই ধর্ষক হয়ে জন্মগ্রহণ করে না। সমাজ ধর্ষক তৈরি করে। তাই আমাদের সমাজকে বদলানো উচিত।’


মানবাধিকার কর্মী ও বিতর্কিত এই লেখক বলেন, ‘সমাজের উচিত পুরুষদের শিক্ষিত করা। নারীদের শারীরিক গঠন নিয়ে সমালোচনার পরিবর্তে ধর্ষক না হওয়ার বিষয়ে তাদের শিক্ষা দেওয়া।’


তিনি বলেন, ‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা বজায় রাখার দায়িত্ব ছিল সরকারের। মত প্রকাশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে যত আইন আছে সেগুলো ধ্বংস করা উচিত।’

 

তবে তসলিমার এই বক্তব্য নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে।


এর আগে গত শনিবার ভারতে শিশু ধর্ষণ মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান দিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। ওই দিন দেশটির রাজধানী দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একটি বৈঠকে এই অধ্যাদেশ পাশ হয়। মন্ত্রিসভার সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।


দেশটিতে বর্তমানে ‘শিশু যৌন নির্যাতন প্রতিরোধ আইন (পকসো)-২০১২’ অনুযায়ী, ১২ বছরের নিচে কোনো শিশুকে যৌন নির্যাতন কিংবা ধর্ষণ করা হলে, একজন ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও কমপক্ষে সাত বছরের শাস্তির বিধান রয়েছে। তবে এই আইনটি সংশোধন করে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে সুপ্রিম কোর্টকে অনুরোধ করেছিল দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার।