ঢাকা, বুধবার ১৫, জুলাই ২০২৬ ৮:২২:০০ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সায়েন্সল্যাব মোড়ে শিক্ষার্থীদের অবরোধ বন্যা ও পাহাড় ধসে সাত জেলায় প্রাণহানি বেড়ে ৫৪ ঢাকার পানি নামার ৪১ স্লুইসগেটের ২২টিই অচল রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের বাস চলাচল বন্ধ ঢাকার পানি নামার ৪১ স্লুইসগেটের ২২টিই অচল ১৯ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া-বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত

নতুন সড়ক পরিবহন আইনের খসড়া অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ০২:০৬ পিএম, ৭ আগস্ট ২০১৮ মঙ্গলবার

সর্বোচ্চ সাজা পাঁচ বছর ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখে নতুন সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮-এর খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।



আজ সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম প্রেস ব্রিফিংয়ে এই অনুমোদনের কথা জানান। 

 


মোহাম্মদ শফিউল আলম আরও বলেন, নতুন আইনে মোটরযান মালিককে ২০০৬-এর শ্রম আইন অনুসারে মোটরযান চালকের সঙ্গে লিখিত চুক্তি করতে হবে। লাইসেন্স ছাড়া ও চুক্তি ছাড়া কেউ গাড়ি চালাতে পারবে না। চালককে কমপক্ষে অষ্টম শ্রেণি পাস ও ২১ বছর বয়সী হতে হবে। 



ব্রিফিংয়ে উপস্থিত সড়ক পরিবহন সচিব নজরুল ইসলাম বলেন, তদন্তে যদি প্রমাণিত হয় দুর্ঘটনা উদ্দ্যেশ্যমূলক, তাহলে দণ্ডবিধি ৩০২ ধারা অনুযায়ী বিচার হবে। এ ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। 

 

এরপর আইনমন্ত্রী আনিসুল হক নিজ দপ্তরে প্রস্তাবিত আইনের ব্যাখ্যা দেন। আইনমন্ত্রী বলেন, বেপরোয়া ও অবহেলা করে গাড়ি চালানোয় কেউ গুরুতর আহত বা কারও মৃত্যু হলো সে জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছর সাজা হবে। কিন্তু এখানেই শেষ নয়, যদি তদন্তে ভিন্ন তথ্য পাওয়া যায় তাহলে দণ্ডবিধি ৩০২ এবং ক্ষেত্রমতে ৩০৪ এই আইনে প্রযোজ্য হবে। তার মানে, কোনো একটা দুর্ঘটনা হলো। কিন্তু দেখা গেল, তা শুধু সড়ক দুর্ঘটনা বলে চালিয়ে দেওয়া যাবে না, এখানে চালক ইচ্ছে করলে দুর্ঘটনা এড়াতে পারত এবং তিনি হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। তখন দণ্ডবিধির ৩০২ অনুযায়ী বিচার হবে।

 

আনিসুল হক বলেন, কিন্তু মনে রাখতে হবে, তদন্ত ও তথ্যের ওপর নির্ভর করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এটা ঠিক করবে।

 
মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর খসড়া এবার সংসদে পাঠানো হবে। সেখানে পাস হলে আইনটি কার্যকর হবে।

 

সম্প্রতি রাজধানীতে সড়ক দূর্ঘটনায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানী জুড়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে চূড়ান্ত অনুমোদন পেল আইনটি।